× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ০৫:১২ এএম

পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ০৫:১২ এএম

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

পুলিশের পাশাপাশি যৌথ বাহিনীর চলমান অভিযানের মধ্যেও রাজধানীসহ সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। সেই সঙ্গে ঢাকাসহ দেশজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধমূলক   কর্মকাণ্ড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকেরা। জুলাই বিপ্লবের পর ভেঙে পড়া পুলিশ এক বছরের মাথায় এসে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও গত বৃহস্পতিবার রাতে দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারে কর্মরতদের জিম্মি করে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাটি প্রতিরোধে ব্যর্থ হওয়ায় ফের পুলিশ বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার বিষয়টি সামনে এসেছে, যার কারণে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি লক্ষ করা গেছে। এ ঘটনা বিশ্লেষণ করে অপরাধ বিশ্লেষকেরা বলছেন, বর্তমানে লক্ষ করা যাচ্ছে, কিছু কিছু ঘটনায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ভয়-আতঙ্ক কাটছে না। একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। খুন, ছিনতাই, ডাকাতি, চুরির ঘটনা এখন মানুষের মনে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। এসব ঘটনা এখন প্রকাশ্যেই ঘটছে। পাশাপাশি চলছে টার্গেট কিলিং, দখল আর চাঁদাবাজির একাধিপত্য বিস্তার। সবকিছু মিলিয়ে এসব নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা একেবার নেই বললেই চলে।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার সময় সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেননি বলে অভিযোগ করেছেন সংবাদকর্মীরা এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন। বিষয়টি নিয়ে সুশীল সামাজের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক সংবাদকর্মী জানান, হামলার ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা অস্বীকারের কোনো সুযোগ নেই। কর্মরত সাংবাদিকেরা বলেন, হামলার সময় পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখেছে। তারা হামলাকারীদের একবারের জন্য হলেও থামাতে যায়নি বা থামানোর চেষ্টা করেনি। তা ছাড়া হামলা ও ভাঙচুরের পাশাপাশি অগ্নিসংযোগের ব্যাপক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর গণমাধ্যমকর্মীরা ভেতরে আটকা পড়লেও পুলিশ তাদের উদ্ধারে তেমন কোনো ভূমিকা রাখেনি। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ক্যশৈন্যু মারমা বলেন, ‘আমাদের আর কী করার আছে। হামলাকারীদের নিবৃত করার চেষ্টা তো করছি আমরা। পরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদেরও দেখা গেছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কয়েক দিন পুলিশহীন থাকায় চরম অবনতি ঘটেছিল আইনশৃঙ্খলার। কিন্তু পরে থানা সচল ও পুলিশ কাজে ফিরলেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরছে না। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে আনাই প্রশাসন ও পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকেরা।

পত্রিকা অফিসে হামলার ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদল বিক্ষোভকারী শাহবাগের দিক থেকে মিছিল নিয়ে প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হন। এ সময় তারা প্রথম আলো ও ভারতবিরোধী নানা স্লোগান দেন। একপর্যায়ে কিছু লোক অফিসের ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। এ ছাড়া কার্যালয়ের সামনে অগ্নিসংযোগও করেন। একই সময়ে ডেইলি স্টার ভবনেও হামলার ঘটনা ঘটে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া লাইভ ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠিসোঁটা নিয়ে লোকজন অফিসে হামলা চালাচ্ছে এবং ভাঙচুর করছে। এ ঘটনায় ভেতরে বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী আটকা পড়েন। ডেইলি স্টারের স্টাফ রিপোর্টার আহমেদ দীপ্ত জানান, ছাদের ওপরে প্রায় ২০ জনের মতো অবস্থান নিয়েছিলেন। হামলাকারীরা আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় ধোঁয়ার কারণে চলাফেরা করা যাচ্ছিল না।  পরে সাংবাদিকেরা ছাদে অবস্থান নিয়ে নিজেদের নিরাপদ বজায় রাখার চেষ্টা করেন।

পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি :

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে। পুলিশের তৎপরতা না থাকাকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে পথঘাটে, পাড়া-মহল্লায় প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে এসব অপরাধ কর্মকা-। অপরাধ বিশ্লেষকেরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর চার মাসের বেশি পার হলেও এখনো দেশে আইনশৃঙ্খলার দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন থানা থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া, জেলপলাতক দাগি অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে না পারার কারণে অপরাধের লাগাম টানা যাচ্ছে না। এর সঙ্গে ঢাকার বাইরে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীদের অনেকেই এখন ঢাকায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের অনেকেই এখন নানা অপরাধে যুক্ত হয়েছেন।

রুটিন ওয়ার্কের বাইরে পুলিশ কোনো কাজ করে না :

অন্যদিকে ব্যাপক রদবদল, গণহারে বরখাস্ত ও সংযুক্তির ঘটনায় কিছুদিন সক্রিয়তার কথা প্রকাশ করলেও পুলিশ এখনো পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। রুটিন ওয়ার্কের বাইরে পুলিশ কোনো কাজ করছে না। পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগ পুলিশের ঘাড়ে থাকায় মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ আগের মতো সক্রিয় হতে পারছে না। এখনো ট্রমা কাটিয়ে উঠতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা। এ ছাড়া লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবে তল্লাশি ও টহল কার্যক্রম এখনো জোরদার করতে পারেনি পুলিশ।

চাকরি হারানোর আতঙ্কে পুলিশ :

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট উল্লেখ করে অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে সাম্প্রতিক সময়ে সংযুক্ত, বরখাস্ত বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এর প্রভাব পুলিশের মাঠ পর্যায়েও পড়েছে। কেউ দায়িত্ব নিয়ে কোনো কাজ করতে চাইছে না। অনেকেই আছেন চাকরি হারানোর আতঙ্কে। তবে পুলিশের এমন যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকেরা। প্রশ্ন তুলে তারা বলছেন, মাঠে পুলিশের সঙ্গে যৌথ বাহিনী রয়েছে। তার পরও কেন এত অপরাধ বাড়ছে? পুলিশের অভিযানে যৌথ বাহিনী সার্বিকভাবে সহযোগিতা করলেও পুলিশ নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারেনি এক বছরের বেশি সময় ধরে। অভিযানে সমন্বয়হীনতাকেও দায়ী করছেন অনেকে। অপরাধীর তালিকা এবং ক্রাইম জোন ভাগ করে সম্মিলিত অভিযান এখনো দৃশ্যমান নয়। ফলে অপরাধীরা নির্বিঘেœ অপরাধ করে চলে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

যেসব কারণে বাড়ছে অপরাধ :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় এর আগেও অনেক মবের শিকার হয়েছে মানুষ, কিন্তু আমাদের সরকার এক বছরের বেশি সময় ধরেও এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। তা ছাড়া জুলাইবিপ্লবের পর দেশে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এখনো সক্রিয় হতে পারেনি। এর অন্যতম কারণ পুলিশের মনোবলে দুর্বলতা। দ্বিতীয় কারণ, পুলিশ আগে যেভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারত, এখন সেভাবে পারে না। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করতে হবে। প্রতিটি দলের নেতাকর্মী যদি অপরাধে না জড়ান এবং অপরাধ দমনে পুলিশের পাশে থাকেন, তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক জায়গায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আর না হলে দিনে দিনে এসব অপরাধ বেড়ে যাবে, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে।’

বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অপরাধীরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন কোনোভাবেই সামাল দিতে পারছে না সরকার।  নানাভাবে চাঁদাবাজি ছাড়াও একের পর এক হামলা, মামলা, খুন, ছিনতাই, ডাকাতি ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেই চলেছে।  তা ছাড়া জামিন পেয়ে আবার জড়াচ্ছে অপরাধে। দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, এমন পরিস্থিতির নেপথ্য কারণ পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি বড় অংশ পুলিশ বাহিনীতে রয়েছে। তাদের গা-ছাড়া ভাব রয়েছে। এ ছাড়া ওই সময়ে পুলিশে সুবিধ ভোগীদের একটি অংশও রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ অনেক অপরাধী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পুলিশের যথাযথ টহল, নজরদারি, সক্রিয়তা না থাকার সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা মূলত এখন কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চান না। কেবল নির্ধারিত সময় ধরে থানায় ডিউটি করাই এখন তাদের প্রধান কাজ। দৈনিক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করা এবং থানার ভেতরে টেবিলওয়ার্কের দিকেই তাদের বেশি মনোযোগ। বাইরে ডিউটি করতে গেলে নানান ধরনের অপরাধের শিকার হয়ে ভুক্তভোগীরা তাদের কাছে আসে। কিন্তু তাদের জন্য তেমন কিছুই করার থাকে না। ছিনতাইকারীকে ধরতে গেলেও হামলার শিকার হতে হয় তাদের। এমন পরিস্থিতিতে নিয়মিত টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনাই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একজন উপপরিদর্শক (এসআই) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘চোর ধরে আনলেও সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাইরে ডিউটি করে ভুক্তভোগীদের সেবা নিশ্চিত করা কঠিন। ঝুঁকি নিতে হচ্ছে প্রতিদিন।’

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, একটি গোষ্ঠী চায় না বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকুক। সেটার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। পুলিশ সদর দপ্তরের এক দায়িত্বশীল ডিআইজি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, পুলিশে যেভাবে ঢালাওভাবে বদলি করা হচ্ছে, তাতে দেখা যাচ্ছে একটি নির্দিষ্ট এলাকা সম্পর্কে এবং সেখানকার অপরাধীদের সম্পর্কে জানা পেশাদার ও অপরাধ নিয়ে কাজ করা অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তাদেরও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের জায়গায় যারা আসছেন, তাদের অনেকেই নতুন।  অপরাধীরা এই সুযোগটা নিচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগের দোসররা। তাদের হাতে প্রচুর টাকা রয়েছে। সেসব টাকা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। কিন্তু সেই সুযোগ তারা পাবে না। তাদের সবার ঘুম হারাম করে দেব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা প্রতিরোধে পুুলিশ কাজ করেছে। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। তবে ছাত্র-জনতার হামলা ও ভাঙচুরের সময় হয়তো পুলিশের ওইভাবে জনবল না থাকায় কিছুটা নিষ্ক্রিয়তার বিষয়টি সামনে আসছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছি এবং যেকোনো মব প্রতিরোধে পুলিশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে।’ দেশের শীর্ষ আলোচিত দুটি পত্রিকা অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার আগাম তথ্য কি গোয়েন্দাদের কাছে ছিল নাÑ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে আমরা বিষয়টি জানতে পারিনি।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!