× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:৪২ এএম

উপদেষ্টা পরিষদে অধ্যাদেশ অনুমোদন

দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:৪২ এএম

দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীরা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশে উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে গেজেট জারি হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলি থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে বোঝানো হয়েছে, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত কার্যাবলির দায়দায়িত্ব থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ইতিমধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা থাকলে সেই মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেবে সরকার। এ ছাড়া এখন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে নতুন কোনো মামলা করা যাবে না। তবে জুলাই ও আগস্টে রাজনৈতিক প্রতিরোধের নামে ব্যক্তি ও সংকীর্ণ স্বার্থে কোনো হত্যাকা- ঘটে থাকলে সে ফৌজদারি মামলা থেকে রেহাই পাবে না।

তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যদি কোনো হত্যাকা- ঘটে থাকে, যেটার সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান সম্পৃক্ত নয়, লোভের বশবর্তী ও প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে এবং সংকীর্ণ স্বার্থে হত্যাকা- ঘটায়, এ আইনের মাধ্যমে তাকে দায়মুক্তি দেওয়া হবে না। আইনটি তাদের জন্য করা হয়নি। আইনটি করা হচ্ছে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সংঘটিত কার্যাবলির ক্ষেত্রে। সে কার্যাবলিতে যারা সমন্বিতভাবে জড়িত ছিল, তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমরা আগেই ঘোষণা করেছিলাম, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হবে। জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় এই অধ্যাদেশ করা হয়েছে।’

এখন প্রশ্ন আসতে পারে, কোন হত্যাকা- রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় হয়েছে আর কোন হত্যাকা- ব্যক্তিগত সংকীর্ণতার স্বার্থে হয়েছেÑ এ কথা উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, এটা নির্ধারণের দায়িত্ব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল আরও বলেন, কোনো ভিকটিমের (ভুক্তভোগী) পরিবার যদি মনে করে তার পিতা বা তার ভাই হত্যাকা-ের শিকার হয়েছে, সে হত্যাকা-ের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের কোনো সম্পর্ক ছিল না, তাহলে তারা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে যাবে। মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করে যা দেখবে, তারা সেই প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবে। পুলিশের মতো মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন সমান বলে গণ্য হবে। তদন্তে যদি উঠে আসে রাজনৈতিক প্রতিরোধের কারণে এই হত্যাকা-, তাহলে তাকে দায়মুক্তি দেওয়া হবে। আর যদি ব্যক্তিগত কোনো সংকীর্ণ স্বার্থে হত্যাকা- ঘটে থাকে, তাহলে সেই অপরাধ থেকে কেউ রেহাই পাবে না।

একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বর্তমানে নেই। তাহলে ভুক্তভোগীরা কার কাছে যাবে? জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!