× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

জ্বালানির জ্বালা কমছে না

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

সরকারের পক্ষ থেকে যতই বলা হোক জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে, বাস্তবে তার মিল পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের সব পেট্রোল পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইন প্রমাণ করছে তেলের জন্য যানবাহন মালিকদের তীব্র হাহাকার। চৈত্রের এই কাঠফাটা রোদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছেন না অনেকে। কেউ কেউ আবার গভীর রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে পরদিন দুপুরে গিয়ে পাচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত তেল। জ্বালানি তেল পেতে কোনোভাবেই কমছে না যানবাহন মালিকদের জ্বালা। এমন পরিস্থিতিতে পাম্প মালিকেরাও নিরুপায় বলে দাবি করছেন। তারা বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে। যদি সরবরাহ বাড়ানো না হয়, তাহলে এমন অবস্থা চলতেই থাকবে। তাই পাম্পে পাম্পে তেল সরবরাহ বাড়ানোর দাবি তাদের। আর যানবাহন মালিকদের দাবি, সরকারের পক্ষ থেকে যেন আর কোনো ফাঁকা বুলি দেওয়া না হয় তেলের মজুত বিষয়ে।

গত বুধবার ঢাকায় ইরান দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের জন্য খুলেছে হরমুজ প্রণালির দ্বার। ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিল এই প্রণালি দিয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশি সব জাহাজ পার হওয়ার অনুমোদন দিয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে। এতে করে যুদ্ধের কারণে এত দিন আটকে থাকা সব জাহাজ দুই-এক দিনের মধ্যে রওনা দিতে পারবে বাংলাদেশের উদ্দেশে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি বিভাগ দাবি করেছিল, সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এসব জাহাজ এসে ভিড়বে বাংলাদেশের বন্দরে। শুধু তাই নয়, এসব জাহাজ ছাড়াও তেল সংকটের তীব্রতা কমাতে স্পট মার্কেট থেকে আরও অন্তত ২০ লাখ টন তেল কেনার চেষ্টা করছে সরকার, যার মধ্যে ১৭ লাখ টন কিনতে ইতোমধ্যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালির ওপারে আটকে থাকা জাহাজগুলো আসতে এ মাসের পুরো সময়টাই লাগতে পারে বলে দাবি করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, হরমুজ প্রণালি খুললেও জাহাজগুলো পার হওয়ার কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে, যেগুলো শেষ না হলে জাহাজ দেশের উদ্দেশে রওনা দিতে পারবে না। তাই এ মাসের মধ্যে জাহাজগুলো দেশে আসার সম্ভাবনা একেবারেই কম। এদিকে স্পট মার্কেট থেকে আসা তেলও অবৈধভাবে মজুত হয়ে যাচ্ছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে। ফলে রাজধানীসহ দেশের পাম্পগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা যাচ্ছে না জ্বালানি তেল।

এমন যখন পরিস্থিতি, তখন সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে দাবি করা হচ্ছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। গতকাল রোববারও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, সব ধরনের জ্বালানির তিন মাসের মজুত নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘যাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি ছিল, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তারা অনেকেই ফোর্স মেজর (চুক্তি পালন করতে না পারলে দায়মুক্তি সংক্রান্ত ধারা) ডিক্লেয়ার করেছে। এ জন্য জ্বালানি সংগ্রহে আমাদের নতুন নতুন উৎস অনুসন্ধান করতে হয়েছে। আমরা কিছু ভালো সোর্স পেয়েছি। তাদের অনেকের সঙ্গে আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। যদি এটা বাস্তবায়ন হয়, আমরা প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে আগামী তিন মাসের জ্বালানি সংগ্রহ করার জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এটা ডিজেলের ক্ষেত্রে। আর পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে আনুমানিক তিন মাসের মতো আমরা কিন্তু নিশ্চিত করতে পেরেছি, অর্থাৎ আমাদের কাছে সেটা রেডি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, পেট্রোল পাম্পে যে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে, তা মূলত অকটেন ও ডিজেলের জন্য। অকটেনের চাহিদা মোট চাহিদার প্রায় ৬ শতাংশ, পেট্রোলেরও প্রায় ৬ শতাংশ অর্থাৎ, মোট ১২ শতাংশ। বাকি ৮৮ শতাংশ চাহিদা খুবই স্বাভাবিকভাবে পূরণ হচ্ছে। সে কারণে সামগ্রিক কোনো সংকট আমরা দেখছি না।

প্রতিমন্ত্রী যখন সচিবালয়ে বসে এসব কথা বলছিলেন, তখন সচিবালয় থেকে মাত্র এক কিলোমিটার ব্যবধানে জ্বালানি তেল নিতে রাজধানীর মৎস্য ভবন এলাকায় অবস্থিত রমনা পেট্রোল পাম্পের চারপাশে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে সড়কে ছিল লম্বা লাইন। চৈত্রের কাঠফাটা রোদে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের চালকেরা একটু তেল পেতে অপেক্ষা করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। লাইনের দীর্ঘ সারি ঘুরে পাম্পের সামনে পৌঁছাতে গাড়িচালকদের সময় লাগছে অন্তত দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। সেগুনবাগিচা সড়ক হয়ে শিল্পকলার সামনে দিয়ে মৎস্য ভবন হয়ে রমনা পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত মোট দূরত্ব এক কিলোমিটার।

সরেজমিনে দেখা যায়, গণপূর্ত ভবনের সামনে থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাম্পে প্রবেশের জন্য আলাদাভাবে রশি দিয়ে লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি লাইনে একসঙ্গে দুটি করে মোটরসাইকেল প্রবেশ করতে পারছে। পাশাপাশি একটি করে প্রাইভেট কার ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। প্রতি মোটরসাইকেলে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। এদিকে কিছু সময় পরপরই বাইরের দিক থেকে কেউ না কেউ এসে লাইনে ঢোকার চেষ্টা করছেন। এতে অনেক ক্ষেত্রে সামনে ও পেছনের অপেক্ষমাণ চালকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেসরকারি কর্মজীবী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে থেকে লাইন ধরেছিলাম। সেখান থেকে গলিপথ দিয়ে শিল্পকলার সামনে হয়ে এখানে আসতে আমার আড়াই ঘণ্টা লেগেছে। এখন বাজে প্রায় ১টা। কখন তেল পাব জানি না। দিনের এতটা সময় যদি তেল নিতেই লাগে, তাহলে অন্য কাজ করব কখন? তা-ও আবার মাত্র ৫০০ টাকার তেল দিচ্ছে। একই রকম ক্ষোভ প্রকাশ করেন ক্ষুদ্র কুটির শিল্প ব্যবসায়ী রিফাত মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমার খুবই ছোট ব্যবসা। অর্ডার নিতে বা অর্ডার পৌঁছাতে গ্রাহকদের কাছে যাওয়ার একমাত্র বাহন এই মোটরসাইকেল। কিন্তু গত তিন দিন তেল না পাওয়ায় বাসা থেকে বের হতে পারিনি। আজ (গতকাল) এখানে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি সকাল ৮টার দিকে। এখন পর্যন্ত পাম্পের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারিনি। দুপুরের খাবার খাব কখন আর গ্রাহকের অর্ডার নিতে যাব কখন, আল্লাহ জানেন।’

রাজধানীতে সবচেয়ে দীর্ঘ লাইন বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনের সামনে। এখানে প্রতিদিনই লাইন গিয়ে পৌঁছায় মহাখালী রেললাইন পর্যন্ত। এই লাইনে তেল নিতে গত শনিবার ভোর থেকে দাঁড়িয়ে আছেন রাইড শেয়ারের চালক শিকদার হোসেন। তিনি বলেন, মিরপুর ১৪ নম্বর পাম্পে তেল না পেয়ে গতকাল গভীর রাত প্রায় ৩টার সময় এসে তেল সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। দীর্ঘ লাইনের কারণে টানা রাতজুড়ে ফুয়েল স্টেশনে দাঁড়িয়ে থেকে আজ অর্ধবেলা পার হয়ে গেলেও তেলের দেখা পাইনি। তবে এখন কিছুটা কাছাকাছি পৌঁছেছি। তাই একটু আনন্দ লাগছে। গতকাল রোববার সরকারি কর্মদিবসের প্রথম দিন সকাল থেকেই রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন, আসাদগেট তালুকদার ফিলিং স্টেশন, সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন, পরীবাগের মেঘনা ফিলিং স্টেশন ও পূর্বাচল ফুয়েল স্টেশন ঘুরে তেলের পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, তালুকদার ফিলিং স্টেশনের সামনের লাইন চলে গেছে জিয়া উদ্যান পর্যন্ত। তবে পাম্পে তেল না থাকায় দেওয়া বন্ধ। সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনের সামনে যানবাহনগুলো টাউনহলমুখী সড়কে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। পরীবাগে অবস্থিত মেঘনা ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালের গেট পর্যন্ত লাইন দেখা যায়। তবে এই পাম্পের পাশে অবস্থিত পূর্বাচল ফুয়েল স্টেশনে তেল না থাকায় তেল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

তবে এতগুলো পাম্পের কোথাও নারী বাইকার বা নারী কারচালকদের জন্য কোনো আলাদা লাইন নেই দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে রুম্পা আক্তার নামের এক বেসরকারি কর্মজীবী নারী বলেন, ‘আমি স্কুটি ব্যবহার করি। ট্যাংকি খুব ছোট। ৫০০ টাকার বেশি তেল একবারে নেওয়া যায় না। অনেকগুলো পাম্প ঘুরলাম। পুরুষ বাইকারদের এত লম্বা লাইন যে নিজেরই অস্বস্তি লাগছিল দাঁড়িয়ে থাকতে। তাই তেল না নিয়েই ফিরে যাচ্ছি। যেদিন তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সেদিনই আবার স্কুটি বের করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর সরকারের উদ্দেশে বলব, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে ফাঁকা বুলি না ছুড়ে সংকট কাটাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিন। নইলে কারও ভোগান্তিই কমবে না।’

তবে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য আন্তর্জাতিক তিনটি দরপত্রের মাধ্যমে ১৭ লাখ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন ইতোমধ্যে সরকার দিয়ে দিয়েছে জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘প্রস্তাব অনুসারে ডিবিএস ট্রেডিং হাউস এফজেডসিওর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১০ লাখ মেট্রিক টন (ইএন ৫৯০-১০ পিপিএম) মানের ডিজেল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন অকটেন আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১ লাখ মেট্রিক টন ৫০ পিপিএম সালফার মানের ডিজেল আমদানি, কাজাখস্তান গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপির কাছ থেকে আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৫ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হবে। এর বাইরে আরও ৩ লাখ টন তেল আনার চেষ্টা করছি বিভিন্ন উৎস থেকে। আশা করছি সংকট কেটে যাবে খুব শিগগির।’

এদিকে জ্বালানি তেল সংকটের প্রভাব পড়ছে অন্যান্য খাতেও। বিশেষ করে দেশের অভ্যন্তরের পণ্য পরিবহনে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। গন্তব্য অনুযায়ী ভাড়া বেড়েছে ৫-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি ভাড়া বেড়েছে চট্টগ্রাম ও সিলেট রুটে। পরিবহন ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রুটে ১৫ টন পণ্য পরিবহনে আগে গুনতে হতো ২৫ হাজার টাকা ভাড়া। এখন সেখানে গুনতে হচ্ছে ৩০-৩১ হাজার টাকা পর্যন্ত। ঢাকা রুটে ১৭ হাজার টাকার ভাড়া গুনতে হচ্ছে ২১ হাজার টাকারও বেশি। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানিতে আমদানিনির্ভরতা কমাতে না পারলে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার কারণে ভবিষ্যতেও বাজেটে বড় অঙ্কের ভর্তুকির চাপ বহন করতে হবে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে বছরে প্রায় ৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত আমদানি ব্যয় হতে পারে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ দশমিক ১ শতাংশের সমান। এর ফলে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বাড়ছে, যা টাকার ওপর অবমূল্যায়নের চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

Link copied!