ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

চাপের রাজনীতিতে এনসিপি-জামায়াত

পারভেজ খান
প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৫:৩৮ এএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি যত ঘনিয়ে আসছে, ততই রাজপথকেন্দ্রিক রাজনীতিতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক শক্তিগুলো। জামায়াতের আমির বলেছেন, বিএনপি সরকারকে বেশি দিন সময় দেওয়া যাবে না।

অন্যদিকে নাহিদ ইসলামও বলেছেন, এই সরকার পুরোনো স্বৈরাচারী চর্চা অব্যাহত রেখেছে। বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে ধারাবাহিক কর্মসূচি, গণসংযোগ, সমাবেশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের পরিকল্পনা করছে দলগুলো।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার, এই তিন ইস্যু সামনে রেখে এ দুটি জোট এক হতে পারলে আগামী কয়েক সপ্তাহ দেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হতে পারে। যদিও এসব দলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক জোটের কোনো আলোচনা প্রকাশ্যে নেই। ফলে এই বক্তব্যগুলোকে ‘নিছক হুংকার’ অথবা একধরনের ‘ফাঁকা আওয়াজ’ বা ‘ভুল রাজনৈতিক বার্তা’ হিসেবেও দেখছেন অনেকে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, সরকারবিরোধী শক্ত অবস্থান তৈরি করার মতো জনসমর্থন এখন পর্যন্ত জামায়াত বা এনসিপি কারোরই তৈরি হয়নি। তারা এখন পর্যন্ত নিজেদেরই গুছিয়ে আনতে পারছে না। তাদের অবস্থাও জনগণের কাছে সুস্পষ্ট নয়। তবে জুলাইয়ের কর্মসূচিগুলো হয়তো নির্ধারণ করবে, কে কতটা জনসমর্থন অর্জন করেছে। এনসিপি তরুণদের আবেগকে সংগঠিত শক্তিতে রূপ দিতে পারে কি না এবং জামায়াত তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতাকে কতটা রাজনৈতিক প্রভাবে পরিণত করতে পারে, আর অন্যান্য সমমনা দল কতটা সমন্বিত অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আর সেটা হলে জুলাইয়ের বর্ষপূর্তি শুধু স্মরণ বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি দেশের আগামী নির্বাচনি ও আন্দোলন, রাজনীতির দিকনির্দেশনাও অনেকটা নির্ধারণ করতে পারে।

জামায়াত এবং এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের জোট এখনো ভিন্ন। প্রত্যাশা-স্লোগানে তাদের অভিন্ন মতবাদ থাকলেও মূলত তারা এখনো এক হতে পারেনি। জুলাইয়ে বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে কী ধরনের কর্মসূচি আসতে পারে, তা নিয়েও তাদের মধ্যে নানা মতবিরোধ আছে। ফলে চাইলেও নানা বাস্তবতায় আপাতত স্মরণসভা, পদযাত্রা, গণসমাবেশ, আলোচনাসভা আর জেলা পর্যায়ের কর্মসূচি নিয়েই তাদের চিন্তাভাবনা চলছে। তারা অকপটে স্বীকার করে বলেন, বড় ধরনের মাঠ কাঁপানো আন্দোলনের প্রশ্নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে জনসম্পৃক্ততাকে। দ্রব্যমূল্য, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক চাপ এবং স্থানীয় সমস্যাগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক দাবিগুলোকে তারা এখন পর্যন্ত যুক্ত করতে পারেনি। ফলে জনগণ তাদের এই আন্দোলনকে এখন সহজভাবে গ্রহণ করবে না। রাজনৈতিক সেøাগানের বদলে মানুষের দৈনন্দিন উদ্বেগকে সামনে না আনতে পারলে এ ধরনের আওয়াজ ফাঁকা বুলি হিসেবেই প্রমাণিত হবে। ফলে এটা সত্য যে, সংস্কার, নির্বাচন ও বিচার ইস্যুতে কাছাকাছি থাকলেও এনসিপি-জামায়াত জোটগতভাবে বহুদূরত্বে অবস্থান করছে।

দলগুলোর নেতারা বলছেন, শুধু নির্বাচন নয়, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংস্কারের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে জামায়াতও সাম্প্রতিক বক্তব্যে রাজনৈতিক সংস্কার, সুশাসন ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। গত কয়েক মাসে এনসিপি মূলত জুলাই আন্দোলনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, দুই দলের বক্তব্যে যে মিল দেখা যাচ্ছে, সেটা কৌশলগত সমন্বয়। দুই জোটের অবস্থানে আনুষ্ঠানিক জোটের চেয়ে ‘ইস্যুভিত্তিক অবস্থানের মিল’ বেশি। জামায়াত চায় দ্রুত রাজনৈতিক বৈধতা ও নির্বাচনি প্রক্রিয়া এগোক। অপরদিকে এনসিপি চায়, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিগুলো বাস্তবায়িত হোক। ফলে একই ইস্যুতে তাদের বক্তব্য কাছাকাছি শোনালেও উদ্দেশ্য এক না-ও হতে পারে। তবে এটা ঠিক যে, উভয় দলই নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে সরকারের ওপর চাপ বজায় রাখতে আগ্রহী।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা এই দুই প্রধান দলের মধ্যে কয়েকটি মৌলিক পার্থক্যের কথা উল্লেখ করেন। আদর্শিক অবস্থানে জামায়াত দাবি করে, তারা একটি ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল। অপরদিকে  এনসিপি নিজেকে নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক শক্তি ও সংস্কারপন্থি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তুলে ধরছে। নানান বিতর্ক আর স্বাধীনতাযুদ্ধে তাদের অবস্থান নিয়ে জনগণের একটি বড় অংশের ক্ষোভ থাকলেও জামায়াতের একটি ঐতিহ্যগত সাংগঠনিক ভিত্তি আছে। কিন্তু এনসিপি এখনো সাংগঠনিক বিস্তারের পর্যায়ে। দুই দলের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যও এক নয়।  জামায়াত নির্বাচনি রাজনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান চায়। পক্ষান্তরে এনসিপি রাষ্ট্রসংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রশ্নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে দাবি করে। ফলে অনেকেই মনে করেন, বর্তমানে তাদের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত সহাবস্থান’ বলা যায়, কিন্তু ‘রাজনৈতিক ঐক্য’ বলা এখনই কঠিন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা আরও বলেন, কোনো আনুষ্ঠানিক জোট ঘোষণা হয়নি। আসন ভাগাভাগি বা যৌথ কর্মসূচির সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই। নির্বাচন ঘনিয়ে এলে দুই দলের মধ্যে প্রতিযোগিতাও দেখা দিতে পারে। তবে এই দুই দল যা বলছে, সেটাকে পুরোপুরি ফাঁকা আওয়াজ বলাও ঠিক হবে না।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রায়ই দেখা যায়, কোনো দল সরাসরি সরকার পতনের আন্দোলনে না গিয়ে ধারাবাহিক বক্তব্যের মাধ্যমে জনমত তৈরি ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। জামায়াত ও এনসিপির সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলোকে অনেক পর্যবেক্ষক সেই চাপ সৃষ্টির রাজনীতির অংশ হিসেবে দেখছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের রাজনীতিতে নিজেদের উপস্থিতি দৃশ্যমান করতে চাইছে এনসিপি। দলটির নেতারা বিভিন্ন জেলা সফর, পথসভা ও জনসংযোগ কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও তরুণদের রাজনৈতিক প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক বয়ান গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রসংস্কার, জবাবদিহি ও রাজনৈতিক পুনর্গঠনের প্রশ্নগুলো সামনে আনার প্রস্তুতিও রয়েছে।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় সময় পার করছে। বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মী সমাবেশ, মতবিনিময় সভা এবং জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি বাড়ানো হয়েছে। দলটির নেতারা প্রকাশ্যে বলছেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কার, সুশাসন ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনি ব্যবস্থার দাবিতে তারা মাঠে থাকবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, অতীতের তুলনায় জামায়াত এখন অপেক্ষাকৃত হিসেবি কৌশলে এগোতে চায় এবং বৃহত্তর সরকারবিরোধী জনমত তৈরির সুযোগ খুঁজছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে, বিভিন্ন ইস্যুতে এনসিপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদসহ কয়েকটি দলের বক্তব্যে কিছু মিল দেখা যাচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো জোট বা সমন্বয়ের ঘোষণা নেই, তবে সংস্কার, নির্বাচন ও জবাবদিহির মতো প্রশ্নে তারা প্রায় একই ধরনের অবস্থান তুলে ধরছে। এতে ভবিষ্যতে ইস্যুভিত্তিক সমন্বয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় শুধু সমাবেশ করে জনসমর্থন ধরে রাখা কঠিন। ফলে দলগুলো এখন মাঠের কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তরুণ ভোটার এবং স্থানীয় পর্যায়ের সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে এনসিপি তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে প্রকাশ্য কোনো প্রতিক্রিয়া না এলেও ক্ষমতাসীন মহল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহে বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচির ধারাবাহিকতা, জনসমাগমের মাত্রা এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপরই অনেকটা নির্ভর করবে রাজপথের রাজনীতির পরবর্তী গতিপথ।

সব মিলিয়ে জুলাইয়ের বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক মাঠ আবারও সরব হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এনসিপি, জামায়াত ও তাদের ঘনিষ্ঠ দলগুলো রাজপথে কতটা প্রভাব তৈরি করতে পারে, আর সেই প্রভাব জাতীয় রাজনীতিতে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

পর্যবেক্ষকদের মতে, সামনে তিনটি বিষয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। প্রথমত, আগামী যেকোনো নির্বাচনের সময়সূচি ও কাঠামো। নির্বাচন কবে হবে, কী ধরনের পরিবেশে হবে এবং তার আগে কতটুকু সংস্কার বাস্তবায়ন হবে, এ নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে। দ্বিতীয়ত, বিচার ও জবাবদিহি। জুলাই-সম্পর্কিত ঘটনা, গুম, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন দল কর্মসূচি দিতে পারে। তৃতীয়ত, সংস্কার প্রশ্ন। সংবিধান, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে। সব মিলিয়ে দ্রুত ও স্পষ্ট নির্বাচনি রোডম্যাপ, রাষ্ট্রীয় সংস্কারের দৃশ্যমান অগ্রগতি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা আর রাজনৈতিক সহনশীলতা ও নাগরিক অধিকার নিয়েই আলোচনা আর আন্দোলন জমে উঠতে পারে এই জুলাইয়ে।

পর্যবেক্ষকেরা আরও মনে করেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা হতে পারে। এই কর্মসূচিগুলোই নির্ধারণ করবে বিরোধী দলগুলো কতটা জনসমর্থন মাঠে নামাতে পারছে।

একদিকে জামায়াত সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করতে চাইবে, অন্যদিকে এনসিপি চেষ্টা করবে জুলাইয়ের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিজেদের পক্ষে ধরে রাখতে। ফলে জুলাই শুধু স্মৃতিচারণার মাস নয়, বরং রাজনৈতিক শক্তি যাচাইয়ের মাসেও পরিণত হতে পারে। সব মিলিয়ে জামায়াতের আমিরের সতর্কবার্তা এবং নাহিদ ইসলামের সমালোচনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সরকারের জন্য রাজনৈতিক স্বস্তির সময় হয়তো দ্রুতই শেষ হতে যাচ্ছে। সংস্কার ও নির্বাচনের প্রশ্নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আগামী দিনে রাজপথে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে নয়, বরং ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসের দিকে যাচ্ছে। জামায়াত ও এনসিপির ‘সতর্কবার্তা’ মূলত সরকারের ওপর সময়সীমা, সংস্কার এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে চাপ তৈরি করার কৌশল। ফলে এসব বার্তা হুমকি নয়, বরং নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় অবস্থান শক্ত করার প্রক্রিয়া।

রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক রওনক জাহান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি এখন আর পুরোনো দ্বি-দলীয় কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক শক্তিগুলো নিজেদের অবস্থান পুনর্গঠন করছে।

ড. তোফায়েল আহমেদ মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে দুর্বল করে দেয়। তাই রাজনৈতিক দলগুলো যখন ‘সময় শেষ’ বা ‘দ্রুত সিদ্ধান্ত’ বলে চাপ দেয়, সেটি প্রশাসনিক বাস্তবতার ওপর চাপ তৈরির একটি রাজনৈতিক কৌশল।

ড. মাহবুব উল্লাহ বলছেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর দ্রুত সিদ্ধান্তের দাবি আসলে বিনিয়োগ, বাজারে স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক আস্থা পুনরুদ্ধারের চাপের প্রতিফলন।