ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দলের ‘সহযোগিতা’কে আঁতাত হিসেবে দেখতে রাজি নন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি। এ বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, সংসদে কোনো ‘ফ্রেন্ডলি গেম’ চলছে না। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে বাজেট অধিবেশন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ মন্তব্য করেন চিফ হুইপ।
একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আগের দিন বিরোধীদলীয় নেতা সরকার ও বিরোধী দলের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। আবার বাজেট আলোচনায় সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্য মেসি ও রোনালদোর ‘ফ্রেন্ডলি গেমের’ উদাহরণ টেনে বলেছেন, সংসদে এ ধরনের খেলা চলতে থাকলে একসময় মাঠ খালি হয়ে যাবে। ওই সাংবাদিক জানতে চান, সংসদে কোনো ‘ফ্রেন্ডলি গেম’ চলছে কি না।
জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘রোনালদো আর মেসি ফুটবল খেলায় আছে, বিশ্বকাপে আছে। বাংলাদেশের পার্লামেন্টে কোনো খেলা নাই, গেমও নাই। কেউ এ ধরনের মন্তব্য করে থাকলে সেটি তার ব্যক্তিগত মত বলে মন্তব্য করেন নূরুল ইসলাম মনি।’
তিনি বলেন, ‘সরকার এমন বিরোধী দল চায়, যারা যৌক্তিক বিষয়ে সহযোগিতা করবে, আবার প্রয়োজন হলে সরকারের সমালোচনাও করবে। যেটা জেনুইন, সেটা আমার পাশে থাকবে। যেটা জেনুইন না, সেটা আমার বিপক্ষে থাকুক, সেটা আমার সমালোচনা করুক, যাতে আমি সেটা সংশোধন করতে পারি।’
চিফ হুইপ বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের কাজ সব সময় সরকারের বিরোধিতা করা নয়। কারণ বিরোধী দলও একদিন সরকারে যেতে পারে। আমরা একটা স্মুথ গণতন্ত্র চাই। সে কারণে যেটা সহযোগিতা করা দরকার, সেটা সহযোগিতা করবে; যেটা সমালোচনা করা দরকার, সেটা সমালোচনা করবে।’ সংবাদ সম্মেলনের বড় অংশজুড়ে চিফ হুইপ বাজেট অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দলের সহযোগিতাকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন।
পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদের কার্যকারিতা, আইন প্রণয়নে বিল দেরিতে দেওয়া, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, হামে শিশু মৃত্যু, ‘পুশইন’, জুলাই জাদুঘর ও সংসদীয় কমিটি গঠনসহ নানা বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। চিফ হুইপ দাবি করেন, ‘এবারের বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দল তাদের নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের জন্য মোট সময়ের ২৬ শতাংশ বরাদ্দ থাকলেও তারা প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্য দিয়েছে। সব নেতাদের কথা শুনেছি। তারা যেভাবে বলতে চেয়েছেন, সেভাবে শুনেছি।’
তার দাবি, বিরোধী দলের নেতারা ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট করেও বক্তব্য দিয়েছেন। নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সাধারণত বাজেট অধিবেশনে নির্দিষ্ট সময়ের পর মঞ্জুরি দাবি পাসের জন্য সরকারি দল থেকে গিলোটিন প্রস্তাব আসে। তবে এবার বিরোধীদলীয় নেতা নিজেই আলোচনা শেষে গিলোটিনে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের সংসদের ইতিহাসে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে স্পিকারকে এ ধরনের অনুরোধ এবারই প্রথম। বিরোধী দলের বক্তব্য সরকার ‘গুরুত্ব দিয়ে শুনেছে’ বলেও দাবি করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা সংসদে তার এলাকার একটি সমস্যা তুলে ধরার পর প্রধানমন্ত্রী সেদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে সেখানে পাঠিয়েছিলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা একটি পণ্যে করছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন জানিয়ে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেটিও বিবেচনায় নিয়েছেন। তার ভাষ্য, ‘সরকার ও বিরোধী দল ঐক্যভাবে দেশটাকে দাঁড় করাতে চায়। চিফ হুইপ বলেন, সরকার ও বিরোধী দল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে চায়।
এবার বাজেট ঘোষণার আগে বা পাসের পরে বাজারে দাম বাড়েনি বলেও তিনি দাবি করেন। নূরুল ইসলাম মনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যসহ প্রয়োজনীয় ৬৩টি পণ্যে কর বাড়ানো হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে কর কমানো হয়েছে। যেসব পণ্যে কর কমেছে, সেগুলোর দামও কমা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে উদ্ধৃত করে চিফ হুইপ বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ‘জীবনবান্ধব’ হয়েছে। নূরুল ইসলাম মনির ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, সবকিছুতে কর কমালে সরকার চলবে কীভাবে? উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রতি বছর যে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, তা বন্ধ করা গেলে অর্থের সমস্যা হবে না।
সরকার ‘চরমভাবে ভাঙা’ একটি অর্থনীতির দায়িত্ব নিয়েছে মন্তব্য করে চিফ হুইপ বলেন, ব্যাংক খাত ‘ফোকলা’ হয়ে গেছে, ডলারের দাম এক দিনে বেড়েছে, কিছু ব্যাংকে চেক দিলেও টাকা পাওয়া যায় না। এ অবস্থায়ও গত চার মাসে দেশে কোনো ‘হাহাকার’ তৈরি হয়নি। এই যে হাহাকার নেই, এটাই তারেক সাহেবের পরিশ্রম। বলেন নূরুল ইসলাম মনি।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে চিফ হুইপ বলেন, এটি তারেক রহমান সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা হয়েছে। আগের বিভিন্ন সময়ে বাজেটের বিরুদ্ধে মিছিল-সমাবেশ হলেও এবার সে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। বাজেট ঘোষণার আগে বা পাসের পর বাজারে দাম বাড়েনি। আগের সরকারের ‘মেগা প্রকল্পে মেগা দুর্নীতি’ হয়েছে অভিযোগ করে চিফ হুইপ বলেন, বর্তমান সরকারের প্রকল্প হবে পদ্মা ব্যারাজ, তিস্তা ব্যারাজ, ২৫ কোটি গাছ লাগানো, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং কৃষি ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষাকেন্দ্রিক কর্মসূচি।
সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম নিয়েও কথা বলেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, দেশে ভালো কাজের চেয়ে নেতিবাচক খবর বেশি গুরুত্ব পায়। ইউটিউব ও ফেইসবুকের অনেক তথ্য ‘ভুয়া’। পত্রিকার ১০টা নিউজের মধ্যে ৯টা নিউজই থাকে নেগেটিভ। মূলধারার সংবাদমাধ্যমকে ভালো কাজও মানুষের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান নূরুল ইসলাম মনি।
সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সময়ের স্বাস্থ্য কর্মসূচির উদাহরণ দিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ভালো উদ্যোগও নেতিবাচক প্রচারের কারণে ব্যর্থ হতে পারে। বাজেট অধিবেশন ঘিরে ডিনারের আয়োজন নিয়েও কথা বলেন নূরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, প্রথমে ডিনার না করার কথা উঠলেও পরে ‘ট্র্যাডিশন’ হিসেবে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী ব্যয় কমানোর কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, ৯০০ টাকার খাবারের খরচ কমিয়ে ১৫০ টাকায় আনা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও হামে শিশু মৃত্যুর বিষয়গুলো বিবেচনা করে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় না করার মনোভাব থেকেই এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তার দাবি। তিনি বলেন, ‘একটা টাকা নষ্ট করা যাবে না’Ñ এমন উপলব্ধি নিয়েই প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রশ্নোত্তরে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধন নিয়েও কথা বলেন চিফ হুইপ। তিনি জুলাই প্রসঙ্গে এক উত্তরে আরও বলেন ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে দ্বিমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সংসদের বাইরে একটি ‘সংস্কার কমিটি’ এবং সংসদের ভেতরে একটি ‘সংবিধান সংশোধনী কমিটি’ গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
একজন সাংবাদিক বলেন, সরকার বলছে, জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে সেভাবে বাস্তবায়ন হবে; আর বিরোধী দলের দাবি গণভোটের আলোকে তা বাস্তবায়ন করা। বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নাম না দিলে সরকার তাদের ছাড়াই কমিটি করবে কি না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়। জবাবে চিফ হুইপ বলেন, সংবিধানে ১১৫টি অনুচ্ছেদ আছে। জুলাই সনদে প্রায় ৩০টি বিষয় আছে। সেগুলো সংবিধানের কোথায় রাখা হবে, তা বিবেচনার বিষয়। ‘সংস্কার ও সংবিধান সংশোধন এক বিষয় নয়। তবে শেষ পর্যন্ত যা-ই করা হোক, সংবিধান সংশোধন করতেই হবে। চিফ হুইপ বলেন, সংস্কারের প্রশ্ন থাকলে সংসদের বাইরে সরকার, বিরোধী দল ও অন্য দলগুলোর মধ্যে আলোচনা হতে পারে। আর সংবিধান সংশোধনের কাজ সংসদের ভেতরে চলবে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল ‘খুব দূরে’ নেই।
হামে শিশু মৃত্যু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকার দুই বছরে হামের টিকা আনেনি; আগের সরকারও টিকা আনেনি। টিকা না দেওয়ার কারণেই এখন ‘ভয়াবহ পরিস্থিতি’ তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে ইতোমধ্যে হাম বিষয়ে সংসদে বিবৃতি দিয়েছেন, সে কথা তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশে এখন উদ্বৃত্ত টিকা আছে এবং টিকাদান চলছে। তবে যারা ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে। চিফ হুইপ বলেন, শিশু মৃত্যুর বিষয়টি সরকার ‘সিরিয়াসলি’ নিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ থেকে ‘পুশইন’ নিয়ে বিরোধী দলের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হয়েছিল কি নাÑ এমন প্রশ্নে চিফ হুইপ তা নাকচ করেন। তিনি বলেন, কোনো প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হয়নি। নূরুল ইসলাম মনি বলেন, পুশইন জাতীয় সমস্যা। অন্য দেশের মানুষ বাংলাদেশে আসুক, তা কেউ চায় না। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে মর্যাদা ও সমঝোতার ভিত্তিতে একসঙ্গে থাকতে চায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মাটি অন্য কোনো দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে না। একইভাবে পাশের দেশ থেকেও কেউ শক্ত কথা বললে বাংলাদেশ তা শুনে রাখে। জুলাই আন্দোলনের তরুণদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম ‘সাহসী, লড়াকু ও দেশপ্রেমিক’। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিল দেরিতে পাওয়ার অভিযোগ নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েন চিফ হুইপ। একজন সাংবাদিক বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ করা হচ্ছে, আইন প্রণয়নের সময় বিলগুলো দেরিতে দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকেরাও লাউঞ্জে অনেক সময় বিলের মাত্র এক-দুই কপি পান। জবাবে চিফ হুইপ বলেন, নতুন সরকার শুরুতে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পেয়েছিল। এতগুলো বিষয় সামলানো শুরুতে কঠিন ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা পারিনি। আর এখন আমরা পারি, আর আমরা সেটা করছি।’ নূরুল ইসলাম মনি স্বীকার করেন, চলতি অধিবেশনে আনা তিন-চারটি আইন সময়মতো দেওয়া যায়নি। তবে তার দাবি, সদস্যদের পড়া, আলোচনা ও বিশ্লেষণের সুযোগ দিতে সময় রাখা হয়েছে। ৭ জুলাই সংসদ বসলে বিলগুলো নিয়ে আরও পড়ার সুযোগ থাকবে। তিনি বলেন, যেসব আইন আনা হবে, সেগুলো সময়মতো সবাই পাবেন।
কুমিল্লার সরকারদলীয় এক সংসদ সদস্য ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে দুই সপ্তাহ অনুপস্থিত ছিলেন কি নাÑ এমন প্রশ্নে চিফ হুইপ বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি বলেন, কে অপমানিত হয়েছেন, তা তিনি জানেন না। নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘তথ্য দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। বিরোধী দল বা সরকারি দল যে-ই হোক, কেউ যাতে অপমানিত বোধ না করে, সে চেষ্টা করা হবে।’ জুলাই স্মৃতি জাদুঘর কবে খুলে দেওয়া হবেÑ এমন প্রশ্নে চিফ হুইপ বলেন, জাদুঘরের কাজ চলছে। জাদুঘর এক দিনে শেষ হওয়ার বিষয় নয়। জাদুঘরের একটা জন্ম হয়, মৃত্যু হয় না। তার বক্তব্য, জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য যা দরকার, তা ধীরে ধীরে জাদুঘরে যুক্ত হবে। জাদুঘর ইতিহাসের অংশ। মানুষ সেখানে যাবে শেখার জন্য, জানার জন্য।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নিয়েও কথা বলেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, পৃথিবীতে বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যার প্রধানমন্ত্রীর কোনো বাসভবন নেই। তবে জুলাই জাদুঘর ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নিয়ে বাস্তবিক কোনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে তুলে রাখলেন। সংসদীয় কমিটি গঠনে বিলম্ব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, তৃতীয় অধিবেশনের মধ্যে সংসদীয় কমিটি গঠনের বাধ্যবাধকতা আছে। সেই সময় এখনো শেষ হয়নি। একটি অধিবেশন শেষ হয়েছে, আরেকটি চলছে। সামনে আরেকটি অধিবেশন আছে। এর মধ্যেই সব সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে।

