× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০১:৩৯ এএম

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার কাজ স্থগিত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০১:৩৯ এএম

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের  ভাস্কর্য ভাঙার কাজ স্থগিত

ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্য ভাঙার কাজ স্থগিত করেছে জেলা প্রশাসন।  গত ১৩ জুলাই থেকে চত্বরটি ভাঙার কাজ চললেও কার নির্দেশে তা করা হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ। ১৭ জুলাই পর্যন্ত প্রকাশ্যে শ্রমিকরা চত্বরটি ভাঙার কাজ করলেও কারা, কেন এটি ভাঙছে, সে বিষয়ে কোনো তদন্ত করেনি সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তর। স্থানীয়দের দাবি, চত্বরটির উচ্চতার কারণে চারমুখী মোড়ে যান চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এ কারণে নির্মাণকাজ শেষ না করেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর অসমাপ্ত অবস্থায় চত্বরটি দীর্ঘদিন পড়ে ছিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসংলগ্ন ঝিনাইদহ-ঢাকা মহাসড়কের শহরের প্রবেশমুখে ঝিনাইদহ পৌরসভার উদ্যোগে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। চত্বরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের একটি বিমূর্ত আবক্ষ ভাস্কর্য, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক হিসেবে মুষ্টিবদ্ধ হাতের একটি সিমেন্টের ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, আমি জানতাম না এটা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর বা ভাস্কর্য। আকার-আকৃতি দেখেও বোঝার উপায় ছিল না। চত্বরটি নির্মাণকাজ শুরুর পরপরই স্থানীয়দের আপত্তির মুখে কাজ স্থগিত রাখা হয় বলে জানতে পেরেছি। তবে ভাস্কর্যটি বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের, এটা জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি ভাঙার কাজ স্থগিত করেছি।

তিনি বলেন, অতীতের কোনো কথায় আর যেতে চাই না, এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্যও করব না। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ঝিনাইদহের শ্রেষ্ঠ সন্তান, তিনি সারা দেশের গর্ব। নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের মানুষের মতামত নিয়ে উপযুক্ত স্থানে যথাযথ মর্যাদায় তার একটি পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে।

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এটি অপসারণের আগে আমার দপ্তরের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি। ২০১৯ সালে জেলা পরিষদ ও ঝিনাইদহ পৌরসভার উদ্যোগে এ জায়গায় চত্বরটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয় এবং পরবর্তীতে কাজও শুরু হয়। এখন জায়গাটি চলমান ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক উন্নয়নকাজের আওতায় চলে যাবে। ঝিনাইদহ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ আলী খান বলেন, গতকাল থেকে ভাঙার কাজ বন্ধ রয়েছে। ঝিনাইদহ পৌরসভা ভাঙার কাজ করেনি।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান বলেন, ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তৎকালীন ঝিনাইদহ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমরা সেদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেন, এটা আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য। এটি ভেঙে ফেলে ধ্বংসাত্মক কাজ করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা চাই, যথাযথ মর্যাদায় ভাস্কর্যটি সংস্কার করে একই স্থানে পুনঃস্থাপন করা হোক।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!