× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

প্রবাস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৭:৪৯ এএম

অস্ট্রেলিয়া স্কিলস ইন ডিমান্ড

সোনালি ভবিষ্যতের নতুন ঠিকানা

প্রবাস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৭:৪৯ এএম

সোনালি ভবিষ্যতের নতুন ঠিকানা

২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার শ্রমবাজারে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। দেশটির সরকার এখন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মীদের সরাসরি স্থায়ী বসবাসের সুযোগ করে দিতে ‘মাইগ্রেশন স্ট্র্যাটেজি’ ঢেলে সাজিয়েছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া কেবল বড় শহরগুলোতে নয়, বরং আঞ্চলিক বা রিজিওনাল এলাকাগুলোতেও বিপুল পরিমাণ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে। এই নতুন ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুততম সময়ে ভিসা প্রদানের নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে, যা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এক বিশাল সুবর্ণ সুযোগ।

জনপ্রিয় ভিসার ধরন ও নতুন নিয়মাবলি

অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে তিন স্তরের ‘স্কিলস ইন ডিমান্ড’ ভিসা ব্যবস্থা চালু করেছে। প্রথমত, উচ্চদক্ষতাসম্পন্ন বা স্পেশালিস্ট কর্মীদের জন্য বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে যাদের বার্ষিক আয় অনেক বেশি। দ্বিতীয়ত, যারা সাধারণ কারিগরি বা পেশাগত দক্ষতাসম্পন্ন যেমনÑ ইঞ্জিনিয়ার, নার্স বা টেকনিশিয়ান, তাদের জন্য কোর স্কিলস পাথওয়ে রাখা হয়েছে। তৃতীয়ত, এসেনশিয়াল স্কিলস পাথওয়ে যা মূলত সেবা খাত এবং কৃষি কাজের জন্য নির্ধারিত।

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নথিপত্রের বিন্যাস

আবেদনের ক্ষেত্রে প্রথম শর্ত হলোÑ একটি বৈধ পাসপোর্ট এবং আপনার পেশাগত দক্ষতার প্রমাণপত্র। অস্ট্রেলিয়া এখন কারিগরি অভিজ্ঞতার ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে, তাই আপনার কাজের অভিজ্ঞতা অন্তত এক বছরের হতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্বারা যাচাইকৃত বা অ্যাটেস্টেড থাকতে হবে। ইংরেজি ভাষার দক্ষতার ক্ষেত্রে আইইএলটিএস বা পিটিই স্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদ- হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে নির্দিষ্ট কিছু কৃষি বা সেবামূলক কাজে ইংরেজি দক্ষতার শর্ত আগের চেয়ে কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

আবেদন প্রক্রিয়া ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ধাপ

পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি এখন অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনলাইন পোর্টাল বা ইম্মিঅ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। একজন আবেদনকারীকে প্রথমে তার পেশার চাহিদা যাচাই করে ইমিগ্রেশন পোর্টালে প্রোফাইল তৈরি করতে হয়। এরপর প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্টস আপলোড করে ভিসা ফি পরিশোধ করতে হয়। আবেদনের পরবর্তী ধাপে বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান এবং সরকার অনুমোদিত সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হয়। এই স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ করে কোনো সংক্রামক ব্যাধি আছে কি না তা যাচাই করা হয়। সবশেষে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের মাধ্যমে আবেদনকারীর চারিত্রিক শুদ্ধতা নিশ্চিত করা হয়।

ব্যয়ভার ও প্রসেসিং সময়কাল

সাধারণত এক থেকে চার মাসের মধ্যেই ভিসার সিদ্ধান্ত পাওয়া যাচ্ছে। খরচের ক্ষেত্রে ভিসা ফি, মেডিকেল চেকআপ এবং আনুষঙ্গিক প্রসেসিং মিলিয়ে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকার একটি বাজেট রাখা নিরাপদ। যদিও স্কিলড ভিসার ফি কিছুটা বেশি, তবে কৃষি বা সিজনাল ভিসার ক্ষেত্রে খরচ কিছুটা কম হতে পারে।

কর্মক্ষেত্রে বেতন ও জীবনযাত্রার মান

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বেতন প্রদানকারী দেশ। এখানে একজন সাধারণ কর্মীও প্রতি মাসে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করতে পারেন। যারা আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং বা খনি শিল্পে যুক্ত হন, তাদের মাসিক আয় ৭ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বেতনের পাশাপাশি উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, সন্তানদের পড়াশোনার সুবিধা এবং নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ অস্ট্রেলিয়ার জীবনযাত্রাকে বিশ্বমানের করে তুলেছে। নির্দিষ্ট সময় সফলভাবে কাজ করার পর স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার সুযোগও এখানে বিদ্যমান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!