× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আরফান হোসাইন রাফি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৮:২০ এএম

মানুষ আমার গান শুনছে এটা ঈশ্বরপ্রদত্ত আশীর্বাদ

আরফান হোসাইন রাফি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৮:২০ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

অল্প কয়েকটি গান দিয়েই সংগীতাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন সংগীতশিল্পী ঈশান মজুমদার। ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’, ‘নিঠুর মনোহর’, ‘জেনে নিয়ো’ থেকে শুরু করে বহুল আলোচিত ‘গুলবাহার’, প্রতিটি গানই জায়গা করে নিয়েছে শ্রোতাদের মুখে মুখে। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে তার নতুন গান ‘যাব যাব মন’। এই গানের ভাবনা, নির্মাণপ্রক্রিয়া ও সংগীতযাত্রার নানা দিক নিয়ে তিনি কথা বলেছেন দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আরফান হোসাইন রাফি

কেমন আছেন? শুরুতেই জানতে চাই, গত বছরের বহুল আলোচিত গান ‘গুলবাহার’-এর পর সদ্য প্রকাশিত ‘যাব যাব মন’ গানে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

ভালো আছি, আর ‘যাব যাব মন’ গানে সাড়া বেশ ভালো পাচ্ছি। সবাই গানটি পছন্দ করছে।

ক্যারিয়ারে অল্প কয়েকটি গান করেছেন, সব গানই শ্রোতাপ্রিয়। কেমন লাগে এসব মুহূর্ত ভাবলে?

আমি বেসিক্যালি আমার গানগুলো নিজের মতো করার চেষ্টা করি। সো মানুষ যে ভালোবাসাটা দেয়, এটা তো আসলে আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি। কখনো ভাবিনি মানুষ আমার গান এত পছন্দ করবে, এত শুনবে। কারণ দেখেন, এখন বাংলাদেশে অনেকেই গান করে, আমার মনে হয় অনেকেই আমার থেকে খুব ট্যালেন্টেড, ভালো গান গায়। তার মধ্যেও যান্ত্রিকতার এই খারাপ সময়ে সবার গান তো মানুষ শোনে না, পছন্দও করে না। এর মধ্যেও যে মানুষ আমার গান শুনছে, পছন্দ করছে, আমার কাছে মনে হয় এটা আমার জন্য ঈশ্বরপ্রদত্ত আশীর্বাদ।

যাব যাব মন’-এর ভাবনা এবং নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাই

‘যাব যাব মন’ আমার বড় ভাইয়ের লেখা গান। সো গানটা যখন শুনি, আমার খুব ভালো লাগে। তারপর আমি গানটার মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টের দায়িত্ব নিই। কাজটা শুরু করেছিলাম ২০২৪ সালের আন্দোলনের পরপর। তবে ডেমোটা আন্দোলনের আগেই বানানো। অনেকদিন কাজটা ডেমো অবস্থাতেই ছিল। এই কাজটাতে আমি কোনো তাড়াহুড়া করতে চাইনি, অনেক সময় নিয়েছি। কারণ এই গানটা আমার আত্মার খুব কাছাকাছি একটা গান। তাই আমি অনেক সময় নিয়ে, যখন আমার মুড ছিল, তখন আমি আর দীপ্র মিলে গানটার সংগীতায়োজন করেছি। তারপর আমরা ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুটিংয়ে যাই। আর ভাবনার বিষয়টা খুবই সিম্পল। গানটার ভিডিওতে আমি একটা কবুতর রেখেছি। গানটার নাম তো ‘যাব যাব মন’, আমার কাছে মনে হয় খাঁচায় বন্দি পাখির মনটাই সবচেয়ে বেশি যাব যাব করে। সো ওই ভাবনা থেকেই আমরা সবাই মিলে ভালো কিছু করার চেষ্টা করেছি।

আপনার গানগুলোতে অনেকেই নব্বইয়ের দশকের আবহ খুঁজে পান। এটি কি স্বাভাবিকভাবেই আসে, নাকি সচেতনভাবে ধরে রাখেন?

সেটা আসলে আমি বলতে পারব না। তবে নব্বইয়ের দশকের গানগুলো তো খুবই ভালো কথার গান ছিল, যেগুলোর ভেতরে গভীরতা আছে, কথাগুলোর আলাদা মিনিং আছে। আমি সত্যিকার অর্থে নব্বইয়ের দশকের যেকোনো গানই খুব পছন্দ করি। আমরা যেহেতু বাঙালি, আর বাংলা ভাষার যে মাধুর্য এটা তো লিরিক্সেই প্রকাশ করা যায়। আমিও খুব বেছে বেছে কাজ করি। লিরিক্সটা আমার জন্য খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। সবসময় চেষ্টা করি লিরিক্সটা যেন ভালো হয় এবং একটা মিনিং থাকে, ডেপথ থাকে। এজন্যই হয়তো মানুষ নব্বইয়ের দশকের ফিল খুঁজে পায়। তবে সচেতনভাবে আমি আসলে কিছুই করি না।

গানের ভিডিওতে আবদুল্লাহ আল সেন্টু মার্শিয়াকে নেওয়ার পেছনে ভাবনাটা কীভাবে এলো?

সেন্টু ভাই আমার পছন্দের একজন অভিনেতা। ‘সাঁতাও’ সিনেমাতে আমি তার অভিনয় দেখেছিলাম। তখনই আমার মনে হয়েছিল, আমার একটা গানে আমি সেন্টু ভাইকে রাখতে চাই। পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারলাম, তিনিও আমার গান শোনেন এবং আমার গানের ভক্ত। তারপর আমার যে ভাবনাটা আসছিল, সেটা শেয়ার করি। ভাবনার বাস্তবায়নের জন্য তাকে জানালাম যে আমাদের একজন ফিমেল আর্টিস্ট প্রয়োজন। আমি চাচ্ছিলাম সেন্টু ভাইয়ের সুবিধার্থে এমন কাউকে নিতে, যার সঙ্গে কাজ করলে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। তিনি মার্শিয়া আপুর কথা বলেন, কারণ তাদের একটা জুটি আছে, তারা একসঙ্গে অনেকগুলো কাজ করেছে। এরপর আমি মার্শিয়া আপুর সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজটা শুরু করি। তারা দুজনেই দারুণ অভিনয় করেছেন।

এখন পর্যন্ত কোনো বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেননি। এর পেছনে কোনো অভ্যন্তরীণ কারণ আছে কি?

না, অভ্যন্তরীণ কোনো কারণ নেই। আমি আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করতে চাই না এবং স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাই। সো যেখানে স্বাধীনতা থাকবে, সেখানেই কাজ করব। আর কোনো প্রতিষ্ঠানের যদি ভালো কাজ থাকে, যেটা আমার সঙ্গে মানানসই হয়, আমার পছন্দ হয়, আমি অবশ্যই কাজ করব।

আপনার শ্রোতারা জানতে চায়, ‘বেরহম’গানটি কবে আসবে?

‘বেরহম’ গানটি নিয়ে আমার একটা প্ল্যান আছে। সেই প্ল্যানটা বাস্তবায়ন করতে আমার একটু সময় লাগবে। আমি তো সবকিছু একাই করি, তাই আমার জন্য সবসময় একটু টাফ হয়ে যায়। তবে খুব শিগগিরই আসবে আশা করি। হয়তো এ বছরের মধ্যেই আসার একটা সম্ভাবনা আছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!