× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জবি প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০১:২৯ এএম

ছাদের পলেস্তারা খসে আহত ২

আতঙ্কে হেলমেট পরে ক্লাসে জবি শিক্ষার্থীরা

জবি প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০১:২৯ এএম

আতঙ্কে হেলমেট পরে  ক্লাসে জবি শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনের ছাদের পলেস্তারা ধসে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রবল উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। অনেকের মধ্যে বিরাজ করছে আতঙ্ক। এরই মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে হেলমেট পরে ক্লাসে উপস্থিত হয়েছেন দুই শিক্ষার্থী। তারা হলেনÑ গণিত বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের নাঈম ও মাহমুদুল হাসান। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মোটরসাইকেলের হেলমেট পরে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন তারা। তাদের এই ব্যতিক্রমী উপস্থিতি ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর আগে গত বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সেমিনার হলে ক্লাস চলাকালীন আচমকাই ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। ওই ঘটনায় তানভীর নিয়াজ ফাহিম ও মাহফুজুর রহমান মিতুল নামে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের দুই ছাত্র আহত হন। এ ঘটনার পরেই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসের বেশ কয়েকটি একাডেমিক ভবনের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই ওই সব ভবনের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটে। এর আগে গণিত বিভাগেরই শিক্ষকদের একটি কক্ষেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল।

গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম বলেছেন, ‘বুধবার ছাদের পলেস্তারা পড়ে সহপাঠীরা গুরুতর আহত হয়েছেন। তাই আমি ক্লাসে বসে নিরাপদ বোধ করছি না। নিজের নিরাপত্তার জন্য হেলমেট পরেছি, একই সঙ্গে এটি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের একটি চেষ্টা।’ এর দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে আতঙ্ক আরও বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাঈম ও মাহমুদুলের সহপাঠী তানজিম আহমেদ মিথিল বলেন, ‘এটি হাস্যকর নয়, বরং বাস্তবতার প্রতিফলন। আমরা সত্যিই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, তারা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেবে। গণিত বিভাগের ১১৯, ১২০ ও ১২১ নম্বর কক্ষ তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ, তাই মিড ও শ্রেণি পরীক্ষা এখানে চলছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যে রুমে বসে আছি, সেটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ, দায়িত্ববোধ থেকে এখনো অবস্থান করছি।’

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর সংস্কার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দীর্ঘদিনের অবহেলার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) নেতারা। অবিলম্বে যথাযথ সংস্কারের কাজ শুরু না হলে আগামী দিনে আরও বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের একাংশের দাবি, বহু শ্রেণিকক্ষই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কিন্তু কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে সেখানেই পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!