× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্বপ্ন ভাঙার শঙ্কায় সয়াবিন চাষি

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৬:৪৯ এএম

স্বপ্ন ভাঙার শঙ্কায় সয়াবিন চাষি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও টানা বর্ষণে সয়াবিন চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরে তোলার আগ মুহূর্তে মাঠের পাকা ও আধাপাকা ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকের সোনালি স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিনের দমকা হাওয়া ও ভারী বর্ষণে সয়াবিন গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। অনেক জমিতে হাঁটুসমান পানি জমে ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে মৌসুমের প্রধান অর্থকরী ফসল হারানোর শঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাজারো কৃষক। কৃষি বিভাগ জানায়, দেশে উৎপাদিত মোট সয়াবিনের প্রায় ৭০ শতাংশই রায়পুর উপজেলায় উৎপাদিত হয়। বিশেষ করে চরবংশী ইউনিয়নে অধিকাংশ কৃষকই সয়াবিন চাষের ওপর নির্ভরশীল। গত দুই দশকে এ অঞ্চলের চরাঞ্চলে সয়াবিন চাষ ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষ করা হয়েছে। তবে কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ইতোমধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অবশিষ্ট ফসলও পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপকূলীয় চরলক্ষ্মী, মিয়ারহাট, কানি বগার চর, চরবংশী, জালিয়ার ও বেড়িবাঁধের বাইরের এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

ঝাউডগী গ্রামের কৃষক হারুনুর রশিদ বলেন, ‘ধার-করজ করে ২ একর জমিতে সয়াবিন চাষ করেছিলাম। ঘরে তোলার আগ মুহূর্তে ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব, সেই চিন্তায় আছি।’

রায়পুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘কালবৈশাখীর ঝড় ও বৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যে ফসল প্রায় ৮০ শতাংশ পেকে গেছে, তা দ্রুত কেটে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ হঠাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত রায়পুরের কৃষকরা এখন সরকারের জরুরি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!