× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৩:৪৬ এএম

ঈদ পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি

পশুর হাট ইজারা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের বিরোধ

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৩:৪৬ এএম

পশুর হাট ইজারা নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের বিরোধ

পাবনার সাঁথিয়ায় অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা (নিলাম) নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাঁথিয়া পৌরসভাধীন ইছামতী নদীর তীরে ডাইকের পাশের পরিত্যক্ত জায়গায় একটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসকের অনুমতি পাওয়ার পর গত ১৯ মে উপজেলা পরিষদ হলরুমে হাটের ইজারার আয়োজন করে পৌর কর্তৃপক্ষ। শর্ত অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জমা দিয়ে মোট ২৬ জন আবেদনকারী এই উন্মুক্ত নিলামে অংশ নেন। কিন্তু নিলাম চলাকালে বিএনপি ও জামায়াত-সমর্থিত অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিফ রায়হান কার্যক্রম স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় পুনরায় নিলামের ডাক দেওয়া হলে আবারও উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্কবিতর্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলা পরিষদ হলরুম ত্যাগ করেন। পরে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম অভিযোগ করে বলেন, ‘পৌর প্রশাসনের আহ্বানে আমরা নিলামে অংশ নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াতের নেতাকর্মীরা আমাদের গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা নিলাম বর্জন করে চলে আসি।’

উপজেলা জামায়াতের আমির মোখলেছুর রহমান বলেন, হাট ইজারায় জামায়াতের দায়িত্বশীল কোনো নেতা অংশ নেননি। জামায়াত সর্মথিত কেউ সেখানে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে জামায়াতের নাম ভাঙালে সেটার দায়ভার জামায়াত নেবে না। তবে ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের দায়িত্বশীল কোনো নেতা জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সাঁথিয়া পৌরসভাধীন বোয়ালমারী হাটের ইজারাদার সাদ্দাম হোসেন জানান, ইছামতী নদীর ডাইকের পাশে কোনো অস্থায়ী পশুর হাট বসবে না। তারা আগামী সোমবার বোয়ালমারী পেঁয়াজ হাটেই পশুর হাটের আয়োজন করবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না জানান, ইছামতী নদীর ডাইকের পাশে এখনো কোনো পক্ষকে ইজারা দেওয়া হয়নি। হাটকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন ওই এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন, লাঠিসোঁটা বা দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, মাইকিং, পাঁচ বা ততোধিক মানুষের জমায়েত এবং সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!