× UCB Sticker Card
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৩:১৩ এএম

বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৩:১৩ এএম

বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণের  বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

রাজধানীতে বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ ও স্থানান্তরের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঢাকাসহ দেশব্যাপী পথকুকুর ব্যবস্থাপনায় সিএনভিআর (ধরা-বন্ধ্যাকরণ-টিকাদান-ছেড়ে দেওয়া) ও গণটিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. তৌফিকুল ইসলাম খান।

এর আগে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন এলাকা থেকে বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ ও স্থানান্তরের কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করে ‘এএলবি অ্যানিমেল শেল্টার’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপান্বিতা হৃদি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই কমিটিকে ডিএসসিসি এলাকায় পথকুকুরের জন্য ‘ম্যাস ডগ ভ্যাক্সিনেশন’ (এমডিভি) এবং সিএনভিআর কর্মসূচির সম্ভাব্যতা নিরূপণ করে তা বাস্তবায়ন শুরু করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মসূচির নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রুলে স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের পরিপত্র এবং প্রাণী কল্যাণ আইন, ২০১৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘন করে বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণের কার্যক্রম কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

আদেশের পর রিটকারী দীপান্বিতা হৃদি বলেন, এটি শুধু প্রাণিকল্যাণ আন্দোলনের জন্য নয়, আইনের শাসন, জনস্বাস্থ্য এবং মানবিক মূল্যবোধের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। আদালতের এই আদেশ স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিয়েছে যে কমিউনিটি কুকুর ব্যবস্থাপনার গ্রহণযোগ্য সমাধান হত্যা নয়, বরং টিকাদান, বন্ধ্যাকরণ এবং মানবিক ব্যবস্থাপনা। যদিও বর্তমান মামলাটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে কেন্দ্র করে, সিএনভিআর এবং গণকুকুর টিকাদান কর্মসূচি শুধু ডিএসসিসির জন্য নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন এবং তা দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করা উচিত।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!