সম্প্রতি এক সালিশ বৈঠকে বিএনপির এক কর্মীকে ধমক দেন ও তার ওপর চড়াও হন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা। এ আচরণের জেরে এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। প্রতিউত্তরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আরেক পোস্টে রাশেদ খাঁনকেও চিড়িয়াখানায় রাখার দাবি জানান এমপি হানজালা। রাশেদ খাঁনকে চিড়িয়াখানায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষের পাশে রাখা হোক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গতকাল রোববার পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা লেখেন, রাশেদ খাঁন আমাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে নিতে চায়। আমি তো যাবই, তবে থাকব বাঘের সাথে, বাঘ অন্তত নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত না! তিনি আরও লেখেন, ‘আর রাশেদ খাঁনকে রেখে আসব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের এক গরুর (মহিষ) পাশে। দেখি দুজন মিলে কতক্ষণ গল্প করতে পারে! চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে শুধু একটা অনুরোধ, গরুটা (মহিষ) যেন পরে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে।’
গত শনিবার দুপুর থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিশ বৈঠকের একপর্যায়ে এমপি হানজালা উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছেন। এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ একপর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিব।’
পরে শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমপি হানজালার তীব্র সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, ‘এমপি হানজালারে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিড়িয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে! আজকে একজন বিএনপি নেতার সাথে তার যে আচরণ দেখলাম, সত্যিই লজ্জা লাগছে, এসব ম্যানারলেস লোকজন কীভাবে এমপি হলো?

