সম্প্রতি চিত্রনায়িকা পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনের ভিডিও ফাঁসের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। আলোচিত এ ঘটনার জেরে বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাধ্যতামূলক অবসরের জন্য প্রস্তুত প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে। এখন সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পরীমনি ও সাকলায়েনের সম্পর্ক এবং ভিডিওটি কীভাবে ফাঁস হয়েছিল তা নিয়ে।
জানা যায়, একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রথম ভিডিওটি আপলোড করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
ভিডিওটি কীভাবে ছড়িয়েছে, তা নিয়ে সে সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যেও প্রশ্ন দেখা দেয়।
যে ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিওটি প্রথম প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানে ক্যাপশনে লেখা ছিল—‘পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের গোপন ভিডিও’।
তৎকালীন বিভিন্ন সূত্র দাবি করে, ঈদের পর কোনো এক সময় পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের বাসায় ভিডিওটি ধারণ করা হয়। সে সময় সেখানে পরীমনি, তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি এবং গাড়িচালক উপস্থিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, জিমিই ভিডিওটি ধারণ করেন। তবে এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সেসময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ভিডিওটি পুলিশের হাতে আসার কথা নয়। যিনি এটি ফাঁস করেছেন, তিনি উভয় পক্ষের পরিচিত কেউ হতে পারেন।

