প্রবাস থেকে ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর অবশ্যই একটি বৈধ বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইনে নিবন্ধিত ডজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকতে হবে।
অনলাইনে আবেদন করার সহজ ধাপ : আবেদনকারীকে প্রথমে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। আবেদনের শুরুতে ‘বাংলাদেশ থেকে আবেদন করছেন কি-না’ প্রশ্নে ‘না’ অপশনটি বেছে নিয়ে বর্তমান দেশ ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের নাম নির্বাচন করতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের পর ‘আইডি ডকুমেন্ট’ সেকশনে বর্তমান এমআরপি পাসপোর্টের তথ্য দিতে হবে। সব তথ্য পূরণ শেষে আবেদনটি অনলাইনে সাবমিট করে তার একটি প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে হবে।
ফি পরিশোধের নিয়ম ও পরিমাণ : বিদেশে ই-পাসপোর্ট ফি সাধারণত অনলাইনে দেওয়া যায় না। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের অনুকূলে মানি অর্ডার বা ক্যাশিয়ার চেক-এর মাধ্যমে অফলাইনে ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি-র পরিমাণ নির্ভর করে পাসপোর্টের পাতার সংখ্যা (৪৮ বা ৬৪ পৃষ্ঠা) এবং মেয়াদের (৫ বা ১০ বছর) ওপর। দূতাবাস ভেদে ফি-র পরিমাণে সামান্য তারতম্য হতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে জেনে নেওয়া যায়।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও বায়োমেট্রিক প্রদান : অনলাইনে আবেদন করার সময় অথবা আবেদনের পর নির্ধারিত তারিখে আবেদনকারীকে সশরীরে দূতাবাসে উপস্থিত হতে হবে। সেখানে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক), চোখের মণি বা আইরিশের ছবি এবং ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।
পাসপোর্ট তৈরি ও হাতে পাওয়ার সময়সীমা
যেহেতু ই-পাসপোর্ট সরাসরি ঢাকা থেকে মুদ্রিত হয়ে বিদেশে যায়, তাই এটি হাতে পেতে কিছুটা সময় লাগে। সাধারণত এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে ২১ কার্যদিবস এবং নিয়মিত ডেলিভারিতে ৪৫ কার্যদিবস সময় লাগে। তবে জার্মানি বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোতে শিপিং ও অন্যান্য কারণে ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ করার পদ্ধতি : পাসপোর্ট তৈরি হয়ে দূতাবাসে পৌঁছে গেলে আবেদনকারীর ই-মেইলে স্বয়ংক্রিয় বার্তা চলে আসে। অনেকে দূতাবাসের কাউন্টার থেকে সরাসরি পাসপোর্ট সংগ্রহ করেন।

