ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

মুখে কুলুপ এঁটেছেন কেয়া পায়েল

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৭:১৮ এএম

শোবিজ তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। প্রেম, বিয়ে কিংবা বিচ্ছেদÍসবকিছুই থাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই মুহূর্তে ঢালিউডের ছোট পর্দার অন্যতম ব্যস্ত ও জনপ্রিয় গ্ল্যামার কন্যা কেয়া পায়েলকে নিয়ে বিনোদনপাড়ায় চলছে জোর চর্চা। বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন উড়ছে, গোপনে মন দেওয়া-নেওয়া করেছেন এই অভিনেত্রী। তবে বরাবরের মতোই এই বিষয়ে তার মুখে কুলুপ।

সম্প্রতি মালদ্বীপে অবকাশ যাপনে গিয়েছিলেন কেয়া পায়েল। সেখান থেকে নিয়মিত নীল জলরাশি ও বিলাসবহুল রিসোর্টে কাটানো চমৎকার সব মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগও করে নিচ্ছিলেন তিনি। তবে এই স্বাভাবিক ভ্রমণের মাঝেই হঠাৎ নেটদুনিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, মালদ্বীপের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় এক সুদর্শন যুবকের পাশে বসে খাবার খাচ্ছেন কেয়া এবং একপর্যায়ে পরম মমতায় নিজ হাতে সেই তরুণকে খাবার খাইয়ে দিচ্ছেন। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটিজেনদের বড় একটি অংশ দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে দাবি করছেন, এটি নিছক কোনো ভ্রমণ নয়, বরং এটি ছিল একটি ‘প্রেমের সফর’।

প্রেমের এই গুঞ্জন যখন চারদিকে ডালপালা মেলছে, ঠিক তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রীর নিজের করা একটি পোস্ট যেন এই জল্পনার আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। মালদ্বীপের সমুদ্রসৈকতে তোলা নিজের একটি ছবি পোস্ট করে কেয়া পায়েল ক্যাপশনে লেখেন, ‘প্রথম ভালোবাসা কি ভুলা যায়?’

ব্যস! অভিনেত্রীর এই এক লাইনের আবেগী প্রশ্ন মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তরা মন্তব্য করতে শুরু করেন, এই ‘প্রথম ভালোবাসা’ কি সেই ভিডিওর রহস্যময় যুবক, নাকি অতীত কোনো স্মৃতি?

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেম নিয়ে একাধিকবার নানা গুঞ্জনের মুখোমুখি হয়েছেন কেয়া পায়েল। তবে কাজের বাইরে নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে সবসময় আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেন তিনি। মালদ্বীপের ভিডিও এবং নিজের রহস্যময় স্ট্যাটাস নিয়ে চারদিকে এত শোরগোল চললেও, কেয়া বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এই রহস্যময় নীরবতাই যেন ভক্তদের কৌতূহলকে প্রতিদিন কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে অবশ্য বিয়ে নিয়ে নিজের খোলামেলা ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেছিলেন, ‘বিয়ে যদি করি, সবাইকে জানিয়েই করব। জীবনের এত সুন্দর পথচলায় আমি চাই সবার আশীর্বাদ থাকুক।’

এখন দেখার বিষয়, মালদ্বীপের এই ‘প্রথম ভালোবাসা’র রহস্য কেবলই পর্দার কোনো প্রচারণার অংশ, নাকি বাস্তব জীবনে নতুন কোনো অধ্যায়ের সূচনা! উত্তরটি জানতে কেয়া পায়েলের ভক্তদের হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষাই করতে হবে।