× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ০২:৪৯ এএম

স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যায় গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ০২:৪৯ এএম

স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যায়  গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ

নোয়াখালীর সদর উপজেলার বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪) হত্যা মামলায় সাবেক গৃহশিক্ষক আব্দুর রহিম ওরফে রনিকে (৩৩) দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্ত রনি নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা এবং খলিল মিয়ার ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সেলিম শাহী জানান, আদালত আসামিকে মৃত্যুদ-ের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। আসামির উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার জাহান মঞ্জিল থেকে অদিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলা, হাত ও পায়ের রগ কাটা ছিল, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

ঘটনার দিন রাতে পুলিশ অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক রনিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, বালিশসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

নিহত অদিতা লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার মৃত রিয়াজ হোসেন সরকারের মেয়ে। তার মা রাজিয়া সুলতানা বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অদিতা কিছুদিন আগে রনির কাছে পড়া বন্ধ করে অন্যত্র কোচিং শুরু করলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। ঘটনার দিন অদিতার মা বাসায় না থাকার সুযোগে রনি বাসায় প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয়ে বিষয়টি গোপন করতে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করেন এবং ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় রনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঁচড়ের দাগ এবং পোশাকে রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদীপক্ষের ৪১ জন ও আসামিপক্ষের ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

উল্লেখ্য, এ নির্মম হত্যাকা-ের পর নোয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিচার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!