ময়মনসিংহের নান্দাইলে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী অপহরণের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। দীর্ঘ সময়েও অপহৃতা ফাতেমা আক্তার তুলির (১৪) কোনো হদিস না মেলায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। পুলিশের ধীরগতিতে প্রশাসনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা দিনে দিনে কমছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরকামটখালী গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে ও স্থানীয় জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী তুলিকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত প্রতিবেশী মিজানুর রহমানের ছেলে আজাদ মিয়া (১৬)। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে তুলি কোচিং সেন্টারের উদ্দেশে বের হলে পথে আজাদ ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তুলির বাবা পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ৪ মার্চ নান্দাইল মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী আব্দুল আলিম জানান, আসামিদের বাড়িতে গিয়ে মেয়ের খোঁজ চাইলে তারা উল্টো শর্ত জুড়ে দেয়। অপহরণকারীদের দাবি, বখাটে আজাদের সঙ্গে তুলির বিয়ে দিলেই কেবল তারা মেয়ের সন্ধান জানাবে। মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে এখন চরম শঙ্কায় রয়েছেন এই বাবা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ সম্রাজ মিয়া জানান, ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে। কয়েকজন আসামি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছে। নান্দাইল মডেল থানার (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি। মামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

