ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে নিখোঁজের একদিন পর ভুট্টাখেত থেকে লামিয়া আক্তার (৪) নামে এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুরশালিন (১৪) কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু লামিয়া। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। পরে সন্ধান চেয়ে এলাকায় মাইকিং করেন পরিবারের লোকজন।
এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একই এলাকার সেন্টু নামে এক ব্যক্তির ভুট্টাখেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ভুটার মালিক খেতে কাজ করতে গিয়ে শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার ডাক চিৎকারে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী এসে মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।
এ সময় মহসিনা বেগম নামে একজন নারী বলেন, বুধবার দুপুরে তিনি ভুট্টা খেতে ঘাস কাটছিলেন। তখন ওই এলাকার মুরশালিন নামে এক ছেলে শিশু লামিয়াকে কোলে নিয়ে যেতে দেখেন। শিশুটি হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী মুরশালিনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল থানার ওসি আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত মুরশালিন জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যার কথা সে স্বীকার করেছে। এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন ও সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশিষ কুমার দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

