পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ঘরমুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। তবে গত রোজার ঈদে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে পড়ে ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর, এবার ঘাট কর্তৃপক্ষ ও নৌ-পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি যাত্রীবাহী বাস থেকে আগে যাত্রী নামিয়ে, খালি বাস ফেরিতে তোলা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাটুরিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অন্য বছরের মতো এবার ঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ জটলা বা যাত্রীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা নেই। ঘাটে আসার পর মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করেই যানবাহনগুলো ফেরিতে উঠতে পারছে। রাজধানীর উত্তরা থেকে খালি ট্রাকে ঝিনাইদহে ফিরছেন জিহাদুল ইসলাম। ৩ নম্বর ঘাটে ট্রাকটি অপেক্ষমাণ থাকার সময় তিনি বলেন, মাত্র ৩৫ মিনিট অপেক্ষার পর ফেরিতে উঠতে পারছি। পারাপার হয়েই রাতেই আবার গরু নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। মাগুরা সদরের যাত্রী অলিউল ইসলাম ঘাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এবার ঘাটে এসে তেমন কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি। ৩০ মিনিট অপেক্ষার পরই আমাদের ফেরি পেয়েছি। তবে নিরাপত্তার জন্য বাস থেকে সব যাত্রী আগেই নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, পায়ে হেঁটে আমাদের ফেরিতে উঠতে হচ্ছে। দুপুরে পাটুরিয়া নৌ-পুলিশের ইনচার্জ কে এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ঈদে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবার বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই যাত্রীসহ বাস ফেরিতে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না।

