× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn
বিএনপি নেতাকে শোকজ

ভুয়া মসজিদ দেখিয়ে বরাদ্দ আদায়

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬, ০৬:২১ এএম

ভুয়া মসজিদ দেখিয়ে বরাদ্দ আদায়

অস্তিত্বহীন মসজিদের নাম তালিকাভুক্ত করে উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে নুর হোসেন চৌধুরী আরজু নামে এক বিএনপি নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে দল। অভিযুক্ত আরজু লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। গত বুধবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর (পশ্চিম) উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন বিটু পাটওয়ারী।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক বিটু পাটওয়ারী স্বাক্ষরিত ওই শোকজ নোটিশে আগামী ৭ জুনের মধ্যে আরজুকে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শোকজ নোটিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন মসজিদের তালিকা সংগ্রহ করে বরাদ্দের আবেদন করেন। সেই তালিকায় ‘নুরনবী চৌধুরী জামে মসজিদ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত করেন আরজু। পরে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ৩ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ আসে। তালিকা প্রকাশের পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ উঠেছে, বাস্তবে ওই স্থানে কোনো স্থায়ী পাঞ্জেগানা বা জামে মসজিদই নেই। পুকুরে গোসল শেষে স্থানীয়রা একটি মাচার মতো অস্থায়ী স্থানে নামাজ আদায় করেন মাত্র। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং ঘটনাটি দলের শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পরিপন্থি বলে শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

চররুহিতা ইউনিয়ন বিএনপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই নেতা দাবি করেন, আরজু তার বাবা নুরনবী চৌধুরীর নামে ভুয়া মসজিদ দেখিয়ে এই বরাদ্দ এনেছেন। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামালুর রহিম মানিকও তার বাবা তাজল ইসলাম ভূঁইয়ার নামে আরেকটি অস্তিত্বহীন মসজিদ দেখিয়ে বরাদ্দ নিয়েছেন, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি ওই ইউনিয়নে নেই।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে নুর হোসেন চৌধুরী আরজু দাবি করেন, তার মসজিদ রয়েছে এবং সেখানে নিয়মিত ইমাম ও মুয়াজ্জিন আছেন। তিনি ইমামকে নিজের পকেট থেকে বেতনও দেন। তার ভাষ্য, ‘কেন আমাকে শোকজ করা হয়েছে, সেটি শোকজদাতারাই ভালো বলতে পারবেন।’ একইভাবে সাংগঠনিক সম্পাদক মানিকের বাবার নামেও মসজিদ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

লক্ষ্মীপুর সদর (পশ্চিম) উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন বিটু পাটওয়ারী বলেন, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। আরজুর এমন বিতর্কিত কর্মকা-ে দলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হওয়ায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!