গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েই দিয়েছিল। এবার লাতিন আমেরিকার আরেক পরাশক্তি উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল সৌদি আরব। সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি। তবে উরুগুয়ের মুহুর্মুহু আক্রমণ ঠেকিয়ে হার ঠিকই এড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। মিয়ামি স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের দাপুটে খেলা ম্যাচে ১-১ ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সৌদি আরব। ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে দুই দল।
মিয়ামি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে প্রায় সমানে সমান লড়াই হয়েছে। অবশ্য প্রথম ১০ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ ছিল উরুগুয়ের হাতেই। ৩০তম মিনিটে প্রথম বড় সুযোগ পায় উরুগুয়ে। তবে ফেদেরিকো ভিনাসের ডাইভিং হেড দারুণ দক্ষতায় হাত দিয়ে ক্রসবারের ওপরে বের করে দেন সৌদি গোলরক্ষক আল ওয়াইজ।
ম্যাচের ৪১ মিনিটে এগিয়ে যায় সৌদি আরব। কর্নার থেকে চমৎকার বল ভাসিয়ে দেন আল জুয়াইর। বলটি পেছনের পোস্টে থাকা আবদুল হামিদের কাছে পৌঁছায়। সেখান থেকে তিনি শক্তিশালী শট নেন উরুগুয়ের গোলরক্ষক মুসলেরার দিকে। মুসলেরা প্রথম শটটি ঠেকাতে সক্ষম হলেও বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি।
সুযোগ বুঝে দ্রুত বলের কাছে পৌঁছে যান আল আমরি। রিবাউন্ড থেকে সহজ টোকায় বল জালে পাঠিয়ে সৌদি আরবকে মূল্যবান লিড এনে দেন তিনি। দুর্দান্ত কর্নার রুটিন এবং আল আমরির ক্ষিপ্রতায় গোল করে ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সৌদি আরব।
অবশেষে ৮০ মিনিটে এসে ডেডলক ভাঙেন ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো। প্রথমে ভিনাসের হেড থেকে আসা বল দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন সৌদি গোলরক্ষক আল-ওয়াইস। তবে বলটি বিপদমুক্ত করতে না পারায় তা গিয়ে পড়ে আরাউহোর সামনে।
সুযোগ হাতছাড়া করেননি এই উইঙ্গার। গোলরক্ষক আল-ওয়াইস তখন অবস্থানের বাইরে থাকায় সহজ একটি টোকায় বল জালে পাঠিয়ে দেন আরাউহো। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে সৌদি রক্ষণভাগ ভাঙতে সক্ষম হয় উরুগুয়ে। শেষ মুহূর্তে প্রায় ম্যাচ জিতিয়েই দিচ্ছিলেন ভালভার্দে। দূর থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী শটটি নিচের ডান কোণে ঢুকে যাচ্ছিল বলেই মনে হচ্ছিল। তবে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় ডাইভ দিয়ে বলের নাগাল পান আল-ওয়াইস। এক হাতের স্পর্শে বলটিকে পোস্টের বাইরে ঠেলে দেন তিনি, ফলে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় উরুগুয়ে। শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায়ই শেষ হয় ম্যাচ।

