× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম

শিল্পোদ্যোক্তাদের দুর্ভোগের কথা তারেক রহমানকে জানালেন পিএইচপির জহিরুল

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম

তারেক রহমান ও মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম রিংকু। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

তারেক রহমান ও মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম রিংকু। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অতিরিক্ত কেন্দ্রীয়করণের কারণে চট্টগ্রামের শিল্পোদ্যোক্তারা কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশখ্যাত শিল্পগ্রুপ পিএইচপি ফ্যামেলির পরিচালক এবং পিএইচপি শিপব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম রিংকু।

রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে আলোচনাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। টানা আড়াই ঘণ্টাব্যাপী চলা বৈঠকটি রাত সাড়ে ৯টায় শেষ হয়।

জহিরুল ইসলাম রিংকু আরও বলেন, চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এটি পর্যাপ্ত নীতিগত সহায়তা ও সম্মান থেকে বঞ্চিত। বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে ঘিরে শিপইয়ার্ড, শিপ ব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রি, বিএসআরএমসহ বহু বড় ও ভারী শিল্প গড়ে উঠলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও কেন্দ্রীয়করণের কারণে এসব শিল্প থেকে প্রত্যাশিত সুফল মিলছে না। দীর্ঘদিন ধরে বিকেন্দ্রীকরণের কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, শিল্পায়নের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে নীতিমালা ও অবকাঠামো। গত ১৫ বছরে এই দুই ক্ষেত্রেই বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম চেম্বার থেকে এনবিআরে বহু নীতিগত প্রস্তাব দেওয়া হলেও একটিও বাস্তবায়ন হয়নি বলে তারা হতাশা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, নীতিগত স্থিতিশীলতা ও প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করা গেলে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া অনেক কারখানা আবারও চালু করা সম্ভব হবে।

বৈঠক শেষে জহিরুল ইসলাম রিংকু গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, তারেক রহমান মনোযোগ সহকারে তাদের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং ক্ষমতায় এলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য একটি স্থিতিশীল ও সম্মানজনক পরিবেশ তৈরি হবে।

বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। আলোচনায় দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, শিল্পায়ন এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তিনি জানান, জনগণের সমর্থনে ক্ষমতায় গেলে বিএনপি বিনিয়োগবান্ধব ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেছেন তারেক রহমান।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ স্থবিরতা, কর্মসংস্থান হ্রাস, ক্যাপিটাল মার্কেটের সংকট, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, চাঁদাবাজি, উচ্চ ব্যাংক সুদহার এবং দুর্নীতির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এসব কারণে ব্যবসা ও শিল্প খাতে প্রতিকূলতা বাড়ছে বলেও তারা জানান। ক্ষমতায় এলে এসব সমস্যার সমাধান করবে বিএনপি, এমন প্রত্যাশার কথাও ব্যবসায়ীরা ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিক উন্নয়নের জন্য বিএনপির কিছু সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। সেগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা ব্যবসায়ীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় বড় সংস্কার বিএনপির শাসনামলেই বাস্তবায়িত হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!