ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৭ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।
এর মধ্যে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের পাঁচ জন প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা, বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এস এম রোকনুজ্জামান খান ট্রাক এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছেন।
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের পাঁচ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম হাতপাখা, লেবার পার্টির প্রার্থী জগদীশ বড়ুয়া আনারস এবং আমজনতা দলের প্রার্থী নুরুল আবছার প্রজাপতি প্রতীক পেয়েছেন।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের চার জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুল হক হাতপাখা এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর প্রার্থী সাইফুদ্দিন খালেদ সিংহ প্রতীক পেয়েছেন।
এর আগে কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে আপিল মঞ্জুরসহ ২০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার তিন জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ জনে।
এদিকে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কক্সবাজার-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রটি হাইকোর্ট থেকে প্রার্থিতা বৈধতা প্রসঙ্গে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন থেকে এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ কক্সবাজারে পৌঁছেনি। তবে কোনো আদেশ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চলবে আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন