× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম

৩ গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৫

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম

সংঘর্ষে এলাকায় চরম উত্তেজনা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সংঘর্ষে এলাকায় চরম উত্তেজনা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তিন গ্রামের মানুষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দেশীয় অস্ত্রের ঝনঝনানি আর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় এলাকাটিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানি, খাসেরগাঁও ও ছোট কোরবানপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এই সংঘর্ষ চলে।

সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ দা, বঁটি, টেঁটা, বল্লম, লোহার রড ও ইটপাটকেল ব্যবহার করে। আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খাসেরগাঁও গ্রামের মনির হোসেন ও ছোট কোরবানপুর গ্রামের রাসেল মিয়ার সঙ্গে পাঁচানি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চলমান এই দ্বন্দ্বের জেরেই বুধবার বড় ধরনের সংঘর্ষের সূত্রপাত।

সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ পাঁচানি গ্রামের বজলু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, খাসেরগাঁওয়ের মনির মেম্বার ও ছোট কোরবানপুরের রাসেল মিয়া এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। আমরা এর প্রতিবাদ করায় দুপুরে প্রায় তিন শতাধিক লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ আমাদের গ্রামে হামলা চালানো হয়।

হামলায় বাড়িঘর ও দোকানপাটে লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আমাদের ১০-১২ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রাণ বাঁচাতে অনেকে মসজিদের ছাদে আশ্রয় নিলে সেখানেও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এতে মসজিদের কাচ ভেঙে যায়।

অন্যদিকে, ছোট কোরবানপুর গ্রামের বাসিন্দা রাসেল মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হামিদ মিয়া একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করেন। আমাদের বাড়িঘরে একাধিকবার হামলা চালিয়েছেন। এখনো তিনি এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে চাইছেন।

তিনি দাবি করেন, সকালে তাদের ছেলেরা নদীতে গেলে হামিদ মিয়ার লোকজন তাদের মারধর করে। পরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আমরা গত সপ্তাহে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করি। মনির মেম্বার ও রাসেল মিয়া সমাধানে রাজি হলেও হামিদ মিয়া রাজি হননি। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুরের চিহ্ন দেখেছি।’

এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিবুল্লাহ বলেন, ‘পুলিশ ও সেনাবাহিনী বর্তমানে ঘটনাস্থলে রয়েছে। প্রশাসনের লোকজন সরে গেলেই আবার হামলার চেষ্টা চলছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পরিস্থিতি শান্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!