× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সুমন রাহাত, নেত্রকোনা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

বাবরের আসন ছিনিয়ে নিতে মরিয়া জামায়াত

সুমন রাহাত, নেত্রকোনা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

বিএনপি প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর ও জামায়াত প্রার্থী মো. আল হেলাল তালুকদার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বিএনপি প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর ও জামায়াত প্রার্থী মো. আল হেলাল তালুকদার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুড়ী) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনি লড়াই। আর মাত্র তিন সপ্তাহেরও কম সময় বাকি। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে প্রচার। তবে এই প্রচারণা শুধু পোস্টার, মাইকিং কিংবা পথসভায় সীমাবদ্ধ নেই; বরং আসনটি ঘিরে চলছে কৌশল, অঙ্ক আর প্রভাবের রাজনীতি।

এই আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠের মূল লড়াই এখন দুই শীর্ষ প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। একদিকে বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল তালুকদার। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ দুই প্রার্থীর মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচিতি, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও পুরোনো সমর্থকগোষ্ঠীর কারণে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর এখনো জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন। সংসদ সদস্য থাকাকালে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নজির থাকায় তিনি উল্লেখযোগ্য ভোট পেতে পারেন বলেও মনে করছেন অনেকে।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল তালুকদার সংগঠিত কর্মীবাহিনী, শৃঙ্খলাভিত্তিক প্রচারণা ও নির্দিষ্ট ভোটব্যাংকের ওপর ভর করে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন। জামায়াতের নেতাকর্মীরা বলছেন, তারা সহজে এই আসন ছাড়তে রাজি নন এবং জয় ছিনিয়ে নিতে ‘মরণ কামড়’ দিতে প্রস্তুত।

এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মো. আল হেলাল তালুকদার বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে মানুষ পরিবর্তন চায়। মানুষ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিতে বিরক্ত। হাওরাঞ্চলের মানুষ বিএনপির নেতাকর্মীদের নির্যাতনে অতিষ্ঠ। এখন তারা আর এসবকে প্রশ্রয় দিতে চায় না। সে কারণেই আমি এই আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবো।’

এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিসহ আরও কয়েকটি দলের প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব দলের তেমন প্রভাব নেই। বাস্তবে ভোটের মূল সমীকরণ ঘুরপাক খাচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতকে কেন্দ্র করেই।

সরেজমিন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় ভোটাররা দলীয় আবেগের পাশাপাশি বাস্তব সমস্যার দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভোটারদের মতে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও হাওরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সরকারি সেবা সহজপ্রাপ্য করাই তাদের প্রধান প্রত্যাশা।

সব দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা এখন ভোটের দিনের অপেক্ষায়। শেষ পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে কারা বিজয়ী হন, তা দেখার অপেক্ষায় পুরো হাওরাঞ্চল।

Link copied!