× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

নবীনগরে স্কোয়াশ চাষে কৃষকের মুখে হাসি

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

কৃষক কুদ্দুস মিয়া স্কোয়াশ চাষে সফল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কৃষক কুদ্দুস মিয়া স্কোয়াশ চাষে সফল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় শীত মৌসুমে কৃষকের মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে নানা ধরনের শাকসবজি। এর পাশাপাশি নতুন সংযোজন হিসেবে চাষ শুরু হয়েছে বিদেশি সবজি স্কোয়াশ। দেখতে শসার মতো হলেও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, সুস্বাদু ও উচ্চ ফলনশীল এই সবজিটি অল্প সময়েই কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

কৃষি অফিস সূত্র জানায়, স্কোয়াশ চাষে এক বিঘা জমিতে গড়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হলেও ১০০ দিনের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব। লাভজনক হওয়ায় নবীনগরের বিভিন্ন এলাকায় স্কোয়াশ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

চলতি মৌসুমে নবীনগর উপজেলায় প্রায় ২ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে। বড়িকান্দি ইউনিয়নের নুরজাহানপুর ব্লকের ধরাভাঙা গ্রামের কৃষক কুদ্দুস মিয়া স্কোয়াশ চাষে সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ আবাদ করেন। বীজ বপনের মাত্র ৪০ দিনের মধ্যে প্রথম দফায় ১০ কেজি স্কোয়াশ সংগ্রহ করেন। এরপর ৪৫ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪৩ কেজি স্কোয়াশ উৎপাদন করতে সক্ষম হন।

কৃষক কুদ্দুস মিয়া বলেন, স্কোয়াশ চাষে খরচ ও রোগবালাই দুটোই কম। অল্প সময়েই ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম ভালো থাকায় লাভ হচ্ছে।

তার সাফল্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বড়িকান্দি ইউনিয়নের পাশাপাশি নবীনগর পৌরসভা এলাকাতেও স্কোয়াশ চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। নবীনগর পৌরসভার আলমনগর গ্রামের কৃষক মুর্শেদা বেগম প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, পারিবারিক উদ্যোগে এই সবজি চাষ শুরু করেছি। অল্প সময়ে ফলন পাওয়া যায় বলে আশাবাদী।

বর্তমানে স্থানীয় বাজারে স্কোয়াশের চাহিদা বাড়ছে। প্রতি কেজি স্কোয়াশ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে অল্প জায়গা ব্যবহার করেও কৃষকরা বাড়তি আয় করতে পারছেন।

বড়িকান্দি ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসাইন বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করলে স্কোয়াশে ভালো ফলন পাওয়া যায়। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, স্কোয়াশ দ্রুত ফলনশীল ও উচ্চমূল্যের একটি সবজি। নবীনগরের মাটি ও আবহাওয়া এই ফসলের জন্য উপযোগী। জমির আইল, বসতবাড়ির আশপাশ ও পতিত জমিতে স্কোয়াশ চাষ করে কৃষকরা সহজেই অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। কৃষি বিভাগ সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিকল্পিতভাবে স্কোয়াশ চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে এটি নবীনগরের একটি সম্ভাবনাময় ও লাভজনক সবজি ফসলে পরিণত হবে এবং কৃষকদের আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!