× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০১:০৪ পিএম

শেরপুরে যুবদল নেতার মৃত্যুর গুজব, লাইভে এসে বললেন—‘আমি জীবিত’

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০১:০৪ পিএম

লাইভ ও ছড়িয়ে পড়া ভিডিও। ছবি : সংগৃহীত

লাইভ ও ছড়িয়ে পড়া ভিডিও। ছবি : সংগৃহীত

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াতের হামলার শিকার হয়ে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম নিহত হয়েছেন—এমন গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, এমনটি নিজেই ফেসবুক লাইভে নিশ্চিত করেছেন সাইফুল ইসলাম।

ফেসবুক লাইভে সাইফুল ইসলাম জানান, ‘আমি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জিনিতি, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। কে বা কারা গুজব ছড়িয়েছে যে আমি মারা গেছি—এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। আলহামদুলিল্লাহ, আমি সুস্থ এবং জীবিত।’

তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, গুজবে বিভ্রান্ত না হতে এবং কাউকে গুজব ছড়াতে উৎসাহিত না করতে। সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন।’

ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানারও ফেসবুক পেজে পোস্ট করে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। সংস্থাটি জানায়, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে যুবদল নেতা নিহতের দাবি ভাইরাল হয়েছে, তবে সাইফুল ইসলাম নিজেই তা গুজব বলে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে যুবদল নেতার মৃত্যুর খবর ছড়ানো হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মানসুরা আক্তার এবং মেহেদী হাসান নামের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকেও একই তথ্য শেয়ার করা হয়।

উল্লেখ্য, ২৮ জানুয়ারি শেরপুর ঝিনাইগাতীতে প্রশাসনের আয়োজনে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ার বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়াম ও বাজারে সংঘর্ষ চলেছে। 

এতে শ্রীবরদী জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। রাত সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Link copied!