× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৮:২১ পিএম

ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে সাবেক যুবলীগ নেতা সুশেনকে কুপিয়ে হত্যা, দাবি ছেলের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৮:২১ পিএম

সুশেন চন্দ্র সরকার।

সুশেন চন্দ্র সরকার।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সুশেন চন্দ্র সরকারকে (৬২) ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার ছেলে সুমন চন্দ্র সরকার।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর নিহত সুশেন চন্দ্র সরকারের ছেলে সুমন চন্দ্র সরকার এসব কথা বলেন।

নিহত সুশেন চন্দ্র সরকার উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের সাউদকান্দা গ্রামের মৃত রাসবিহারী সরকারের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

ছেলে সুমন চন্দ্র সরকার বলেন, ‘৮ থেকে ১০ বছর আগে আমার বাবা যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে রাজনীতিতে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। আমার বাবা একটি কোম্পানিকে নিয়মিত চাল দিতেন। সম্প্রতি আমার বাবা বলেছিলেন, তিনি যে কোম্পানিতে চাল দিতেন সেখানে অন্য ব্যবসায়ীরাও চাল দিতে চাইতেন। কিন্তু আমার বাবার দেওয়া চালের মান ভালো হওয়ায় কোম্পানি তার কাছ থেকেই চাল নিত। এ নিয়ে অন্য ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ ছিলেন। আমাদের ধারণা, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই বাবাকে হত্যা করা হতে পারে।’

গত সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার বগার বাজার চৌরাস্তায় ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক সুশেন চন্দ্র সরকারকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কুপিয়ে দোকানের ভেতরে ফেলে রেখে যায়। হত্যার পর তারা দোকানের শাটার বন্ধ করে রেখে যায় এবং দোকান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

পরে পরিবারের লোকজন টের পেয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে নিজ বাড়িতে রাখা হয়েছে এবং রাতেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।

ত্রিশাল থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর দোকানের শাটার বন্ধ করে রেখে যায়। পরিবারের লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘লুটপাটের জন্য তাকে হত্যা করা হয়নি। আঘাতের ধরন ও পরিমাণ দেখে বোঝা যাচ্ছে, ক্ষোভ থেকেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার মাথা ও মুখে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশসহ একাধিক সংস্থা ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে। অচিরেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

Link copied!