× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

‎রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম

জজ থেকে মন্ত্রী

‎রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

‎জজ থেকে এবার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। জজের চাকরি ছাড়ার দীর্ঘ ২০ বছর পর জাতীয় সংসদে গেলেন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। ২০০৬ সালে স্বেচ্ছায় জজের চাকরি ছেড়ে তিনি যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাঙামাটি জেলা কমিটিতে।

‎দীপেন দেওয়ান মন্ত্রী হয়েছেন, এ খবর পাহাড়ে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আনন্দের সুবাতাস বইছে। রাঙামাটি জেলাসহ তিন পার্বত্য জেলায়। গত ২-৩ দিন ধরে পাহাড়ে নানা গুঞ্জন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল কে হচ্ছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষে তার ডাক আসে মন্ত্রিত্বের শপথের জন্য। সে ডাকে সাড়া দিয়ে বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ২৯৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। সকল গুজব ও গুঞ্জনের অবসান ঘটল মন্ত্রিত্ব পেয়ে। তবে স্বাধীনতার পর এই প্রথম পূর্ণ মন্ত্রী পেল রাঙামাটিবাসী। দীপেন দেওয়ান জজের চেয়ার থেকে এখন পূর্ণ মন্ত্রীর চেয়ারে।

‎এমপি শপথ শেষে দীপেন দেওয়ান কেঁদে দেন। অনেকে দায়িত্ব পেয়ে খুশি হন, আর দীপেন দেওয়ান দায়িত্ব পেয়ে কাঁদলেন! তিনি বুঝাতে চেয়েছিলেন যে, জনগণের দায়িত্বভার অনেক কঠিন ও কষ্টদায়ক। তিনি রাঙামাটিবাসীর জন্যই কেঁদেছেন। ওই সময় ঢাকায় নেতাকর্মীরা মন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

‎দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘এই অর্জন আমার না, এই অর্জন রাঙামাটিবাসীর। আমি তিন পার্বত্য জেলাকে সম্প্রীতির জেলা বানাব। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন করা হবে। এ ছাড়াও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গরিব-মেহনতি মানুষের কল্যাণে কাজ করব। জনগণের অধিকার প্রতিটি পদে পদে পালন করার চেষ্টা করব। পাহাড়ে সমান তালে উন্নয়ন করা হবে।’

‎দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, এ জয় ধানের শীষের, জেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বোপরি রাঙামাটিবাসীর। তৃণমূল মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়ে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করেছেন। এতে করে তারা তাদের ভাগ্য তারেক রহমানের ওপর সঁপে দিয়েছেন। আমরা সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে চাই। বিএনপি একটি জনবান্ধব দল। তাই আমাদের আচরণও সেই রকম হতে হবে। আমার দরজা সবসময় সবার জন্য খোলা থাকবে। আমি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানাই। চাই সবার আন্তরিক সহযোগিতা।

একই বছর বাতিল হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯-পার্বত্য রাঙামাটি আসনে পেয়েছিলেন দলীয় মনোনয়ন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সরকারি চাকরি ছাড়ার পাঁচ বছর পার না হওয়ায় আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে প্রার্থী হতে পারেননি তিনি। এরপরও তার সম্মানে আসনটিতে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল তার সহধর্মিণী মৈত্রী চাকমাকে। সেই নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী তার সহধর্মিনী হারলেও দীর্ঘ ১৭ বছর দলের জন্য অপরিসীম ত্যাগ-তিতিক্ষার ফলে এবার নির্বাচনে মনোনয়ন পান দলটির রাঙামাটি জেলার কান্ডারী দীপেন দেওয়ান। বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলেন আসনটিতে।

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিশাল ভোটের ব্যবধানে। পোস্টাল ব্যালটসহ মোট ২১৩ কেন্দ্রে তার প্রাপ্ত ভোট ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৪ ভোট। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন মাত্র ৩১ হাজার ১৪২ ভোট। অন্যদের মধ্যে ভোট পেয়েছেন ১০ দলীয় জোটের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবু বকর সিদ্দিক ২২ হাজার ৭১৫, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জসিম উদ্দিন ৩ হাজার ৬৭২, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জুঁই চাকমা ১ হাজার ৭০, জাতীয় পার্টির অশোক তালুকদার ২ হাজার ৯৭৪ ও গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার বাদশা ৪৪৯।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!