× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০২:৪২ পিএম

কর্মচারী থেকে কোটিপতি, মালিকের সংবাদ সম্মেলন

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০২:৪২ পিএম

মালিকের সংবাদ সম্মেলন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মালিকের সংবাদ সম্মেলন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি ফলের দোকানের কর্মচারী আনোয়ার পারভেজের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন মালিক আবুল কালাম।

সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আবুল কালাম ও তার ছেলে বিজয় খন্দকার, ফল ব্যবসায়ী হাজী জাকির মিয়া ও মোস্তফা মিয়া। 

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফল ব্যবসায়ী জুনাইদ আহমেদ, মাহবুব মিয়া, খোকন মিয়া ও মোশারফ মিয়া প্রমুখ। 

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আবুল কালাম বলেন, আমি ভৈরবের সিলেট বাসস্ট্যান্ড (ফল মার্কেট) এলাকার মেসার্স ভৈরব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী। ২০০৯ সালে আমার প্রতিষ্ঠানে মো. আনোয়ার পারভেজকে ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে ১৫ বছর ধরে আমার প্রতিষ্ঠানের সব আর্থিক লেনদেন ও হিসাব-নিকাশের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। 

আমার অভিযোগ, ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত ব্যবসার লেনদেনের স্বার্থে মো. আনোয়ার পারভেজ সর্বমোট ৩৮১ কোটি ৪৮ লাখ ১১ হাজার ৯২ টাকা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থে ব্যয় দেখান ৩৭৭ কোটি ১৭ লাখ ৬১ হাজার ৫৯৫ টাকা। হিসাব অনুযায়ী, অবশিষ্ট ৪ কোটি ৩০ লাখ ৪৯ হাজার ৪৯৭ টাকার হিসাব দিতে পারেনি ম্যানেজার আনোয়ার। এই টাকা আমার সঙ্গে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।

আবুল কালাম বলেন, হিসাব গরমিলের পর ১৯ ফেব্রুয়ারি আমি আনোয়ার পারভেজের কাছে ৪ কোটি টাকার বিস্তারিত হিসাব চাইলে তিনি আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে। সেইসঙ্গে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব না দিয়ে বিভিন্নভাবে টালবাহানা করতে থাকেন। এতে আমি নিশ্চিত হই আনোয়ার পারভেজ আমার বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এরপর আমার টাকা উদ্ধার করতে আমি অভিযুক্তের বাড়িতে যাই এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আনোয়ার পারভেজ আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। 

তিনি বলেন, আনোয়ার পারভেজ আমার সারা জীবনের ইনকামের টাকা আত্মসাৎ করে নিজে পাঁচতলা বাড়িসহ একাধিক বাড়ির মালিক হয়েছেন। এদিকে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। ব্যবসায়ীদের পাওনা টাকা পরিশোধ করতে পারছি না। আমি টাকা ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে ফল ব্যবসায়ী হাজী জাকির মিয়া ও মোস্তফা মিয়া বলেন, আমরা ব্যবসায়ীরা আনোয়ার পারভেজকে আবুল কালামের মালিকানাধীন ফলের প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হিসেবে চিনি। তিনি নিজে কোটিপতি বনে গেছেন আর আবুল কালাম হয়ে গেছেন দেউলিয়া। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রমাণ হবে আনোয়ার পারভেজ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। 

এ বিষয়ে আনোয়ার পারভেজ সাংবাদিকদের বলেন, আমি কালাম মিয়ার প্রতিষ্ঠানে পার্টনার ছিলাম। যদিও আমার কাছে পার্টনারশিপের কোনো ডকুমেন্টস নেই। কালাম মিয়ার ছেলে ব্যবসার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিতে আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র করছেন। আমি ও আমার স্ত্রী ধার-দেনা করে বাড়ি নির্মাণ করছি। কালাম মিয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। 

এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, টাকা আত্মসাতের বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!