নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় লাইলা জাতের পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন হাটে পাইকারি বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে উৎপাদন খরচও উঠছে না বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
কৃষকদের অভিযোগ, পেঁয়াজ চাষ করে লাভ তো দূরের কথা, খরচ তোলাই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।
অনেক কৃষক মনে করছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির কারণে স্থানীয় বাজারে দাম কমে গেছে। তাদের মতে, আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হলে দেশীয় কৃষকরা ভালো দাম পেতেন।
উপজেলার মাধবপুর গ্রামের কৃষক মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, লাইলা পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজারদর এত কম যে খরচের টাকাও উঠছে না। প্রতি মণে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে। অথচ আমরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।
শেখপাড়া গ্রামের কৃষক বিমল কুমার জানান, তিনি ১ বিঘা জমি ৪০ হাজার টাকা দিয়ে বর্গা নিয়েছেন। বীজ কিনতে প্রতি মণ ৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এ ছাড়া সার ও কীটনাশকের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে।
এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে কোনো লাভ হচ্ছে না, বরং লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সবুজ আলী বলেন, কৃষকরা যাতে পেঁয়াজের সঠিক মূল্য পান সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি পেঁয়াজ সংরক্ষণের বিষয়েও কৃষি বিভাগ কাজ করছে বলে জানান তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন