× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

সরকারি চালে ইঁদুর-পোকার বসবাস, পচন ধরেছে ১৫০০ কেজিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

মেঝেতে পড়ে আছে চাল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মেঝেতে পড়ে আছে চাল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা দেড় টন চাল পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুস্থদের বরাদ্দের এই চাল চার-পাঁচ মাস গুদামে ফেলে রাখার কারণে চালে বসবাস করছে ইঁদুর-পোকা। অবশেষে ধরেছে পচন। এমন চিত্র দেখা যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায়।

দুস্থদের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ চাল অজ্ঞাত কারণে সময়মতো বিতরণ না করায় ইঁদুর ও পোকায় খাওয়ায় পর এখন পচন ধরেছে ১৫০০ কেজি চালে। ফলে খাবার অনুপযোগী হওয়া ওই চাল দেখে কার্ডধারী ও জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের জামতলা বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, ওই কার্যালয়ে দুপুরের দিকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় ইঁদুরে কাটা বস্তা বাইরে বের করা হয়। পচা ও নষ্ট চাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে মেঝেতে। বের হচ্ছে দুর্গন্ধ।

গুদামে চালের বস্তা কমপক্ষে ৫০টি (৩০ কেজি বস্তা), যার পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় টন বা ১৫০০ কেজি। 

এমন খবরে গুদামে দেখা যায় স্থানীয়দের ভিড়। এ সময় পোকায় খাওয়া চাল দেখে আফসোস করতে দেখা যায় স্থানীয়দের। 

পাছদরিল্লা গ্রামের মিল্টন মিয়া ও ইব্রাহীম মিয়া বলেন, ‘ভাই, মানুষ খাইত পায় না আর এই হানো চাল পইরা থাইক্কা নষ্ট অইতাছে। চাল নষ্টের জন্য যারা দায়ী, তাদের শাস্তি হওয়া দরকার।’

চালের বস্তাগুলো ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের। আগের নাম ভিজিডি। বরাদ্দের চাল নিয়মিত বিতরণ না করায় আগের চার-পাঁচ মাসের বরাদ্দের চাল ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা হয়েছে। 

গুদামে বিপুল পরিমাণ চাল মেঝেতে পড়ে রয়েছে। চালের ওপর বড় বড় পোকা দেখা যাচ্ছে। ইঁদুরের বিষ্ঠা পড়ে রয়েছে। ইঁদুরে খাওয়া চালের বস্তাগুলো গুদামের বাইরে ফেলে রাখা হয়েছে। 

স্থানীয়রা জানান, চাল পঁচে যাওয়ায় দুর্গন্ধে গুদামে বেশিক্ষণ থাকা যায় না। চালগুলো খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। 

গ্রাম পুলিশের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে বলা হয়েছে গুদাম পাহারা দেওয়ার জন্য। চাল নষ্ট হয়ে গেলে আমার কী করার আছে?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম জানান, এত চাল কীভাবে রয়েছে, তা আমাদের জানা নেই। সচিব বলতে পারবেন। 

ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, কার্ডধারীদের খোঁজ করে না পাওয়ায় ওইসব বরাদ্দ রয়েছে। ফোন করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে কী করার আছে! তা ছাড়া পরিষদ না থাকায় ভালো স্থানের অভাবে অল্প দিনেই চাল নষ্ট হয়ে যায়।

রাজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হক ফারুক রেজা বলেন, এই চালের বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এখন খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!