ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র যানজট আর বৃষ্টির বাগড়ায় নাজেহাল হয়ে গন্তব্যে ফিরছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি ও দীর্ঘ যানজট মাথায় নিয়েই হাজার হাজার যাত্রী বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে প্রকৃতির বৈরী আচরণ আর মহাসড়কে যানবাহনের ধীরগতিতে যাত্রীদের আনন্দযাত্রায় বিষাদ নেমে এসেছে।

বুধবার বৃষ্টির কারণে রাতে মহাসড়কে তীব্র গণপরিবহন সংকট দেখা দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নারী ও শিশুরা। একপর্যায়ে অনেক যাত্রী গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে বাস কাউন্টার থেকে ফিরে নিজ বাসায় চলে যান। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোররাতে সেহরি খেয়ে তারা পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া চন্দ্রা থেকে নবীনগরের দিকেও কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানবাহনের সারি দেখা গেছে। গতরাতের যানজট নিরসন হতে হতে সকাল হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে।

আজ ভোরে যারা ঘরমুখী হয়েছেন, তাদের অনেকেই কোনাবাড়ী পার হওয়ার পর মৌচাক ও সফিপুর এলাকায় গিয়ে পুনরায় যানজটের কবলে পড়েন। 

রংপুরগামী এক যাত্রী জানান, গতকাল ইফতারের পর রওনা দিয়েও বৃষ্টির কারণে বাস না পেয়ে ফিরে গিয়েছিলেন। আজ ভোরে বাসে উঠলেও ভোগড়া বাইপাস থেকে চন্দ্রা মোড় পর্যন্ত আসতেই তার দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে। 

এদিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, গতকাল যেসব বাস উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়েছিল, সেগুলো যানজটের কারণে আজ সকাল পর্যন্ত ঢাকা বা গাজীপুরের দিকে ফিরে আসতে পারেনি। ফলে রাতে কৃত্রিম পরিবহন সংকট তৈরি হয়। 

গাজীপুর সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, দুপুরের পর বাসগুলো ফিরতে শুরু করলে এই সংকট আর থাকবে না।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, আজ পোশাক কারখানাগুলোর চতুর্থ ধাপের ছুটি শুরু হচ্ছে। প্রায় ৮৩৩টি কারখানা আজ ছুটি হবে। ধাপে ধাপে ছুটি হওয়ায় সড়কে আগের মতো ভয়াবহ চাপ নেই, যাত্রীরা তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যেই ফিরতে পারছেন।