× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০১:০২ পিএম

পদ্মা রেল সেতুর যন্ত্রাংশ চুরি; হুমকির মুখে ট্রেন চলাচল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০১:০২ পিএম

পদ্মা রেল সেতুর যন্ত্রাংশ চুরি। ছবি : সংগৃহীত

পদ্মা রেল সেতুর যন্ত্রাংশ চুরি। ছবি : সংগৃহীত

দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ অংশে নাট-বল্টু ও লোহার গ্রিল চুরির ঘটনা ঘটেছে। রেললাইনের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে যন্ত্রাংশ উধাও হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সেতুতে ট্রেন চলাচল বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত মেরামত ও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে যেকোনো সময় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা রেল সেতুর ৩৭ নম্বর পিলারের কাছে ওপরে ওঠার একটি সিঁড়ি রয়েছে। যদিও সেখানে লোহার গেট ও গ্রিল দিয়ে যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত থাকার কথা, তবুও দুষ্কৃতকারীরা রেললাইনের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নাট খুলে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, ড্রেনের ওপর স্থাপিত লোহার ভারী গ্রিলগুলোও চুরি করে নিয়ে গেছে তারা। এতে লাইনের কাঠামোগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কিম্যান ফারুক হোসেন চুরির বিষয়টি স্বীকার করে জানান, তারা সাধ্যমতো পাহারার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকি। এমনকি গত ঈদের আগে চুরির অভিযোগে দুজনকে হাতেনাতে ধরে রেল পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি। তবে ২৭ নম্বর বক্সপিলারের মতো কিছু অংশ তালাবদ্ধ থাকে, যার চাবি আমাদের কাছে নেই। ফলে সব জায়গায় আমাদের প্রবেশের সুযোগ থাকে না।’

বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সদুত্তর মেলেনি। রেলওয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো)-এর ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি।

পদ্মা সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এ ধরনের নিরাপত্তাহীনতা এবং চুরির ঘটনা জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রী ও বিশেষজ্ঞরা।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!