× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

দেহ পাওয়ার ৪ দিন পর মিলল যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

দেহ পাওয়ার ৪ দিন পর মিলল যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দেহ পাওয়ার ৪ দিন পর মিলল যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় মাথাবিহীন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া রফিক মিয়া (২৭) নামের এক যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেহ উদ্ধারের চার দিন পর বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করা হলো।

রোববার (২৯ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার দিঘুলিয়া গ্রামের কালীগঙ্গা নদীর পাড়ের একটি ভুট্টা খেত থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে এটি পাওয়া যায়।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী জানান, অটোবাইকচালক রফিককে গলা কেটে হত্যা করার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া মাথাটি রফিকের বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে মাথাটি মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঘিওর উপজেলার রাথুরা গ্রামের মো. রিপন মিয়া (৩০), সদর উপজেলার পাছবারইল গ্রামের আরমান হোসেন (২০) ও একই গ্রামের সজিব হোসেন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, রফিক মিয়া ব্যাটারিচালিত তিন চাকার অটোবাইক চালাতেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে তিনি অটোবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরদিন বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার পাছবারইল গ্রামের কালীগঙ্গা নদীর পাড় থেকে তার মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, নিহত অটোবাইকচালক রফিক ও নির্মাণশ্রমিক রিপন পরস্পরের বন্ধু ছিলেন। অটোবাইকটি ছিনতাই করে বিক্রির উদ্দেশ্যে আটককৃতরা আগে থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর গাঁজা খাওয়ার কথা বলে রিপন, আরমান ও সজিব রফিককে অটোবাইকে করে কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে আরমান হাতুড়ি দিয়ে রফিকের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর রিপন দা দিয়ে তার গলা কেটে মাথা শরীর থেকে আলাদা করেন। এ সময় আরমান রফিকের দুই হাত এবং সজিব দুই পা ধরে রাখেন। পরে তারা লাশের অংশ নদীতে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. আরিফ মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পিবিআই মানিকগঞ্জ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুর এলাকা থেকে রিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরমান ও সজিবকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কালামপুরের একটি গ্যারেজ থেকে অটোবাইকটি উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা শনিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!