× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

মহেশপুরে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে উল্লাস

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে উল্লাস। ভুক্তভোগী ও তার নিকতাত্মীয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে উল্লাস। ভুক্তভোগী ও তার নিকতাত্মীয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে এক স্কুলছাত্রীকে বাড়ি ফেরার পথে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্তরা, সেই নারকীয় ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এবং তা প্রদর্শন করে তারা এলাকায় ‘উল্লাস’ করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভিকটিমের পরিবার মহেশপুর থানায় চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি এজাহার দায়ের করে।

এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের দিন সন্ধ্যায় স্কুলছাত্রী পাশের বাড়ি থেকে নিজের বাসায় ফিরছিল। পথিমধ্যে সামন্তা বাগদিরাইট গ্রামের রাস্তার ওপর থেকে শাওন ও হযরত আলী তার মুখ চেপে ধরে পাশের একটি ঘাসখেতে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখানে আরও দুজন যোগ দেয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একই গ্রামের হাফেজুল ইসলামের ছেলে হযরত আলী, তরিকুল ইসলামের ছেলে শাওন এবং দিনুর ছেলে নয়ন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ফরিদ হোসেনের ছেলে আমিন ওই ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে রাখে যাতে সে চিৎকার করতে না পারে।

নারকীয় এই ঘটনা চলাকালীন শাওন ও আমিন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। ধর্ষণের পর তারা ভিকটিমকে হত্যার হুমকি দেয় এবং ঘটনাটি জানাজানি হলে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়।

ভিকটিম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলে, ‘ওরা আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে তিনজনে মিলে সর্বনাশ করেছে। আমার পরিবারকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়েছিল, তাই ভয়ে কিছু বলিনি। কিন্তু ওরা নিজেরা সেই ভিডিও মানুষকে দেখিয়ে আনন্দ করছে। আমি এর বিচার চাই।’

ভিকটিমের ফুফু ও মামলার বাদী জানান, সামাজিক মর্যাদা ও জীবনের ভয়ে তারা প্রথমে চুপ থাকলেও অভিযুক্তরা ভিডিও নিয়ে লোকজনের কাছে বড়াই শুরু করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তিনি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, গণধর্ষণের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের অভিযান চলমান।

এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের জঘন্য অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা এভাবে বিঘ্নিত না হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!