× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

সৌদিতে মিসাইলের আঘাতে নিহত মামুনের মরদেহ নিজ বাড়িতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

সৌদিতে মিসাইলের আঘাতে নিহত মামুনের মরদেহ নিজ বাড়িতে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সৌদিতে মিসাইলের আঘাতে নিহত মামুনের মরদেহ নিজ বাড়িতে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি আবদুল্লাহ আল মামুনের (৩৫) মরদেহ ২১ দিন পর ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তার মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ১টার দিকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

নিহত আবদুল্লাহ আল মামুন গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের বাসিন্দা।

এর আগে গত ৮ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় আঘাত হানলে মামুন দগ্ধ হন। এতে তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে রিয়াদে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

সকাল থেকে উপজেলার ভরভরা গ্রামে আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়িতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়। সবাই তার মরদেহের অপেক্ষায় রয়েছেন। ইতোমধ্যে জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পারিবারিক কবরস্থানে কবর খোঁড়া হয়েছে এবং স্থানীয় মসজিদ থেকে খাটিয়াও আনা হয়েছে। আছরের নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হবে।

পরিবারের সদস্যরা জানায়, জীবিকার সন্ধানে আট বছর আগে সৌদি আরব যান আল মামুন। সর্বশেষ ৫ বছর আগে তিনি দেশে এসেছিলেন। সে এক ছেলে সন্তানের জনক।

নিহত আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা শহীদ সওদাগর বলেন, আমার ছেলে দীর্ঘ দিন যাবত সৌদি আরবে থাকেন। ঈদের পর আসার কথা ছিল, কিন্তু এর আগেই আসলো লাশ হয়ে। 

নিহতের চাচা গুলজার সওদাগর বলেন, আমার ভাতিজা পরিবারের সচ্ছলতা ফিরাতে ১৫ বছর আগে সৌদি আরবে যান। গত ৫ বছর আগে দেশে আসছিল। ঈদের পর আবার দেশে আসা কথা ছিল। দেশে এসে বাড়ি করার কথা ছিল। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই ভাতিজার মরদেহটি দ্রুত সময়ে নিয়ে আসার জন্য এবং পরিবারের পাশে যেন সরকার থাকে।

Link copied!