× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

ডাকযোগে দুই শিক্ষকের নামে কাফনের কাপড়

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

কাফনের কাপড় সংগ্রহ করছেন পুলিশ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কাফনের কাপড় সংগ্রহ করছেন পুলিশ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারী অধ্যাপকের নামে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে ঘিরে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীসহ এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি অনেকেই পরিকল্পিত হুমকি হিসেবে দেখছেন।

জানা যায়, সম্প্রতি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. আব্দুস সামাদের নামে স্থানীয় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পৃথকভাবে কাফনের কাপড় পাঠানো হয়। ডাকযোগে আসা এসব পার্সেল গ্রহণের পর বিষয়টি জানাজানি হলে সহকর্মীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।

ভুক্তভোগী দুই শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদ জানান, এ ধরনের ঘটনা তাদের জন্য সরাসরি প্রাণনাশের হুমকির ইঙ্গিত বহন করে। 

তারা বলেন, আমরা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। কোনো বিরোধ বা শত্রুতা আছে বলে আমাদের জানা নেই। হঠাৎ এভাবে কাফনের কাপড় পাঠানোয় আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির পরিবর্তন হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে কোনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব বা অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহতাব উদ্দিন বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের দুইজন শিক্ষকের নামে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। আমরা শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মনজুরুল আলম জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পার্সেলগুলোর প্রেরকের ঠিকানা সিরাজগঞ্জ জেলার। এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করা হবে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!