× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

‘কবির হোসেন প্রান্তিক কৃষক, নীতিমালা অনুযায়ী কার্ড পেয়েছেন’

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

কবির হোসেন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক এবং নীতিমালা অনুযায়ী কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য—এমন দাবি করেছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড পাওয়া কবির হোসেনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়লে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। জেলা প্রশাসনের সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, কবির হোসেন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক এবং নীতিমালা অনুযায়ী কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণ করেন সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবু সাইদ মিয়ার ছেলে কবির হোসেনসহ ১৫ কৃষক। কৃষক কবির হোসেন ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তবে অনুষ্ঠান শেষে হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে তাকে বিত্তশালী বা প্রকৃত কৃষক নয় বলে উপস্থাপন করা হয়।

তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, কবির হোসেন টিনের ঘরে বসবাস করেন। বাড়ির সামনে সবজি চাষ এবং পেছনে গরু ও হাঁস-মুরগি পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার নিজস্ব জমি রয়েছে ১৩ শতাংশ। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষবাস করেন।

এলাকাবাসী জানান, কবির নিয়মিত কৃষিকাজ করেন এবং পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করেন। এই দুই কার্যক্রম একসঙ্গে করায় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। তবে কৃষিকাজই তার মূল পেশা, এ বিষয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই।

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা বাড়তে থাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বুধবার (১৫ এপ্রিল) কবির হোসেনের বাড়ি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তারা জানান, কবির হোসেন প্রকৃতপক্ষে একজন কৃষক এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুন্নাহার স্বপ্নাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের ওই কমিটি সরেজমিন ঘটনাটি খতিয়ে দেখে।

১৫ এপ্রিল রাতে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী কবির হোসেন একজন প্রান্তিক কৃষক হিসেবে কার্ড পাওয়ার যোগ্য। জেলা প্রশাসক শরীফা হক কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে লিখিতভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন।

কবির হোসেন বলেন, ‘আমি একজন কৃষক। বাবার রেখে যাওয়া অল্প কিছু জমি আছে, পাশাপাশি অন্যের জমিতে বর্গা চাষ করি। কৃষিকাজের পাশাপাশি ফেসবুকে কনটেন্ট বানিয়ে কিছু অতিরিক্ত আয় করি। আমার কিছু এআই ছবি পোস্ট করার কারণে এখন অনেকে ভুল বুঝছে। একজন কৃষকের কি ভালো পোশাক পরা অপরাধ? সাজিয়ে-গুছিয়ে শুদ্ধভাবে কথা বলা যদি অপরাধ হয়, তাহলে আমি অপরাধী।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি নেই। আমাকে নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অনেকে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়াচ্ছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’

ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সৈয়দ কবিরুজ্জামান ডল বলেন, কবির দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ করছেন এবং গরু পালন ও সবজি চাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার বিরুদ্ধে ছড়ানো তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!