× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম

‘কথার আম্মু’র ভাতের হোটেল হঠাৎ বন্ধ, নানা গুঞ্জন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় অল্প সময়েই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘কথার আম্মু’র ভাতের হোটেল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এলাকায় নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এতে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন স্থানীয়সহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভোজনরসিক ক্রেতারা।

জানা গেছে, প্রায় ৮ মাস আগে উপজেলার বড় আজলদী গ্রামের কাদির মিয়ার স্ত্রী লাকী আক্তার তার মেয়ের নামে ব্যতিক্রমধর্মী এ হোটেলটি চালু করেন। পৌরসদরের নতুন বাইপাস সড়কে, পাকুন্দিয়া-হোসেনপুর সড়কের ডান পাশে মাচা দিয়ে ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ১০০ টাকায় এক বাটি গরুর মাংসের সঙ্গে আনলিমিটেড ভাত ও ডালের ব্যবস্থা থাকায় অল্প সময়েই হোটেলটি ব্যাপক সাড়া ফেলে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে ভিড় জমাতে থাকেন। ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে অল্প সময়েই হোটেলটির দুটি শাখা চালু করা হয়। পরে ভাড়া দোকানে বড় পরিসরে ব্যবসা শুরু করেন লাকী আক্তার।

শুরুর দিকে ছোট জায়গায় দুটি টেবিলে একসঙ্গে ১০-১২ জন বসে খেতে পারতেন। অনেককেই বাইরে অপেক্ষা করতে হতো। লাকী আক্তার নিজেই খাবার পরিবেশন করতেন এবং তার স্বামী কাদির মিয়া রান্না ও অন্যান্য কাজে সহায়তা করতেন। অতিরিক্ত ক্রেতার চাপ সামলাতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হতো। সর্বশেষ তিনজন কর্মচারী দিয়ে হোটেলটি পরিচালনা করা হচ্ছিল।

তবে গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লাকী আক্তার জানান, তিনি আর হোটেলটি চালাবেন না। এতে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়—কেন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল জনপ্রিয় এই হোটেলটি।

একজন ক্রেতা আল আমিন মিয়া বলেন, পাকুন্দিয়ায় গেলে প্রায়ই এখানে খেতাম। হঠাৎ বন্ধ দেখে খুব খারাপ লেগেছে। আবার চালু হলে অনেকের উপকার হবে।

হোটেল মালিক লাকী আক্তার জানান, শুরু থেকেই ভালো সাড়া পেয়েছি। প্রতিদিন প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন ক্রেতা আসতেন এবং দৈনিক ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা আয় হতো। আমার ব্যবসা ভালো চলতে দেখে স্থানীয় মোবারক নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি আমার দোকানের সামনে আরেকটি দোকান দেন এবং আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালান। এতে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। তাই হোটেলটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

অন্যদিকে অভিযুক্ত মোবারক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এমন কিছু করিনি। শুনেছি, কর্মচারীদের বেতন দিতে না পারায় তিনি নিজেই হোটেল বন্ধ করেছেন।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাস বলেন, হোটেল মালিক লাকী আক্তার নামের ওই মহিলা আমার কাছে অভিযোগ করেছিল। বিষয়টি আমি সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাইনি। তবে উদ্যোক্তাকে হোটেল চালু রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!