× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১০:২৭ এএম

প্রবেশপত্র না পেয়ে ভেঙে গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর স্বপ্ন

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১০:২৭ এএম

পরীক্ষার্থী রোমান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পরীক্ষার্থী রোমান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পরীক্ষার হলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সহপাঠীদের ভিড়। সবার হাতে প্রবেশপত্র, চোখে স্বপ্ন আর উদ্বেগের মিশেল। সেই ভিড়ের মাঝেই দাঁড়িয়ে ছিল রোমান। কিন্তু তার হাতে ছিল না কোনো প্রবেশপত্র। ছিল শুধু হতাশা, আর বুকভরা প্রশ্ন আমার দোষটা কোথায়?

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বেড়াইদের চলা গ্রামের এই শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় বসতে পারেনি এমন অভিযোগ উঠেছে হলিস্টার চাইল্ড একাডেমি স্কুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হারুন অর রশিদের ছেলে রোমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। রোমানের বাবা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। 

রোমান জানায়, সে হলিস্টার চাইল্ড একাডেমির নিয়মিত ছাত্র। এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য স্থানীয় ধনাই বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে তার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফরম পূরণের জন্য প্রধান শিক্ষকের হাতে সম্পূর্ণ টাকা তুলে দেয়।

রোমানের ভাষ্য, সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল। পরীক্ষা সামনে আমি প্রস্তুতিও নিচ্ছিলাম। কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন ২০ এপ্রিল রাতে আমাকে ডেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা বেতন আরও ৪৫০ টাকা কেন্দ্র ফি নেওয়া হলো। তখনো বুঝিনি, আমার জন্য কী অপেক্ষা করছে।

তারপর স্যার বললেন, আমার প্রবেশপত্র আসেনি। এ বছর পরীক্ষা দেওয়া হবে না। আগামী বছর দিতে হবে। আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম। এত টাকা দেওয়ার পরও কেন এমন হলো?

রোমানের অভিযোগ, পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন হলিস্টার চাইল্ড একাডেমির পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শরিফ বেপারী। তিনি বলেন, রোমান ফরম পূরণই করেনি। তার কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। টেস্ট পরীক্ষায় সে পাঁচটি বিষয়ে ফেল করেছে। এরপর সে আর ফরম ফিলাপ করেনি। তার পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল।

এই বিষয়ে আবারো রোমানের কাছে জিজ্ঞেস করা হলে শিক্ষার্থী রোমান জানান, আমি টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করার কারণে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা জরিমানা নেওয়া হয়। বলা হয়, আমার ফরম ফিলাপ সম্পূর্ণ করে দেওয়া হবে। আমি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাব।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিদ্যালয় বলছে, কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের যথাযথ নিবন্ধন না থাকায় তারা অনেক সময় সরকারি নিয়ম মেনে চলে না। যা এমন ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!