× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো 

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম

পেটানোর পর এবার অপসারণের দাবিতে বিএনপি নেতাদের আল্টিমেটাম

রাজশাহী ব্যুরো 

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজের আধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক ও নারী প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরাকে অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে নগরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান তারা।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার তারা অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাককে পিটিয়ে আহত করেন। এ ছাড়া নারী প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরাকে জুতাপেটা করেন তারা। শুক্রবার এর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, আলেয়া খাতুনও শাহাদ আলী নামের এর ব্যক্তিকে চড় মারেন এবং দুজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন গ্রাম্য মাতব্বর আব্দুস সামাদ ওরফে সামাদ দারোগা। উপস্থিত ছিলেন এই ঘটনার জেরে বহিষ্কৃত হওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আকবর আলী, ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইউজদার আলী ও সাবেক সভাপতি আফাজ উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, ঘটনাটি গণমাধ্যমে আংশিক ও বিকৃতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। আব্দুস সামাদ বলেন, আমাদের চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কলেজে পূর্বের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে জবাবদিহি চাইতে গেলে আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং প্রথমে তাদের ওপর হামলা চালান প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরা।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক ও প্রদর্শক আলেয়ার অপসারণ নিশ্চিত করা হোক এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরা বলেন, ‘বিভিন্ন সময় কলেজে এসে তারা হিসাব চাইতেন, যা মূলত চাঁদা দাবির অংশ ছিল। এবার তারা এসেছিলেন মাহফিলের নামে চাঁদা আদায় করতে। অধ্যক্ষের পাশে থেকে প্রতিবাদ করায় আমিও হামলার শিকার হয়েছি। আমি বিচার চাই।’

অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক জানান, চার মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিএনপির বিভিন্ন গ্রুপ তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করায় বিরোধের সূত্রপাত ঘটে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!