× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম

পরপর দুই সংঘর্ষে ঘটনা, ভৈরব থানার ওসি প্রত্যাহার

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম

আতাউর রহমান আকন্দ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আতাউর রহমান আকন্দ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পরপর দুইটি সংঘর্ষে ঘটনার পর কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান শেলী এর নির্দেশে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মূসা শেখ। অপরদিকে ভৈরব শহর ফাঁড়ি ইনচার্জ ইমাম আল মেহেদীকে জেলার কটিয়াদী থানার গচিহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়।

জানা যায়, ৪ জুন বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ও আশপাশের এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। টানা ৫ ঘণ্টা ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের কমলপুর এলাকার যুবকদের সঙ্গে দুর্জয়মোড় সংলগ্ন আশপাশের এলাকার যুবকদের মধ্যে রাত ১২টা পর্যন্ত টানা সাড়ে ৪ ঘণ্টা সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখল করে নেয় উভয় পক্ষ, ফলে সাড়ে ৪ ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকে।

এ ঘটনায় ভৈরব থানার ওসি ও একজন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান শেলী ঘটনাস্থলে এসে ১৫ রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর থেকে ভৈরবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ভৈরব থানার ওসিকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ভৈরবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরমভাবে অবনতি হয়েছে। ভৈরব থানা, র‌্যাব ও উপজেলা প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সংঘর্ষ হলেও প্রশাসন কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ফলে সরকারি স্থাপনা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ যানযটেও ৪/৫ ঘণ্টা আটকে থেকে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো যাত্রী ও পথচারীরা।

প্রত্যাহারের বিষয়ে ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মূসা শেখ বলেন, পুলিশ সুপার স্যার প্রয়োজন অনুযায়ী এক থানা থেকে অন্য থানায় ওসি বদলি বা প্রত্যাহার করতে পারেন। সংঘর্ষের ঘটনার সঙ্গে ওসি পরিবর্তনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটি পুলিশের নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!