× UCB Sticker Card
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

বগুড়া শেরপুরের বারদুয়ারী হাটে পাকা ঘর নির্মাণ, কারা করছে জানে না কেউ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার নিয়ন্ত্রণাধীন বারদুয়ারী হাটের একটি ফাঁকা জায়গায় পাকা ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। তবে কারা এসব ঘর নির্মাণ করছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তরই স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি। পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন একে অপরের দিকে দায়িত্বের বিষয়টি ঠেলে দিচ্ছে।

রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, বারদুয়ারী হাটের ভেতরে একটি খালি জায়গায় ইটের গাঁথুনির কাজ চলছে। কয়েকজন শ্রমিক সেখানে কাজ করছেন। তাদের ভাষ্য, গত দুই দিন ধরে নির্মাণকাজ চলছে। প্রায় ৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থের জায়গাজুড়ে পাঁচটি দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

সেখানে কর্মরত শ্রমিক আব্দুস সালাম বলেন, তারা কয়েক দিন ধরে কাজ করছেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি তাদের মজুরি দিচ্ছেন। তবে ওই ব্যক্তির নাম বলতে তিনি রাজি হননি। নির্মাণকাজটি পৌরসভার তত্ত্বাবধানে হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

বারদুয়ারী হাটে দীর্ঘদিন ধরে সবজি বিক্রি করেন ফজর আলী। তিনি বলেন, কয়েক বছর আগে একই স্থানে তিনি একটি পাকা ঘর নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষ সেটি ভেঙে দেয়। বর্তমানে সোমবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসার দিনে ওই স্থানে অস্থায়ীভাবে ভোজ্যতেলের দোকান বসে। এখন সেখানে কারা পাকা ঘর নির্মাণ করছে, তা তিনি জানেন না।

নির্মাণকাজের বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম শফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি হাটের মালিক জেলা প্রশাসক। তার প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিষয়টি তদারক করেন। তবে পৌরসভা হাটে কোনো দোকানঘর নির্মাণ করছে না।

অন্যদিকে শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, জেলা প্রশাসন হাটের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পৌরসভার কাছে দিয়েছে। পৌরসভাই হাট ইজারা দেয়। ফলে জায়গাটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের।

এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, ‘কে বা কারা ঘরগুলো নির্মাণ করছে, তা আমার জানা নেই। পৌরসভা এ কাজ করছে না এবং কাউকে অনুমতিও দেয়নি। খবর পেয়ে কাজ বন্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!