× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হাসানুজ্জামান হাসান, (কালীগঞ্জ) লালমনিরহাট

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০১:২২ পিএম

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

হাসানুজ্জামান হাসান, (কালীগঞ্জ) লালমনিরহাট

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০১:২২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে দ্রুত বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে, এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ১২টায় ছিল ৫২ দশমিক শূন্য সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সকাল ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার রেকর্ড করা হয়।

এদিকে হঠাৎ করে তিস্তা নদীর পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছে তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা। তিস্তার পানি বাড়ায় হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, নিজ শেখ সুন্দর, বাঘের চর, সিঙ্গীমারি, ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ি, কালীগঞ্জের শৈলমারী, চর বৈরাতী, রুদ্রেশ্বর, আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন ও স্পারবাধ এলাকার তিস্তা নদীর তীরবর্তী চরে বাদামক্ষেত, ধানের বীজ তলা, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

কালীগঞ্জের কাশীরাম এলাকার বাদাম চাষি লাকু মিয়া জানান, তিস্তার চরে ৫০ শতক জমি লিজ নিয়ে চিনাবাদাম চাষ করেছেন। কয়েকদিন পানি জমে থাকায় বাদামে পচন ধরেছে এবং গাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে। এতে ফলন কমে যাওয়ার পাশাপাশি লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কৃষকরা জানান, রাতে পানি কমলে আবার সকালে পানি বাড়ে। পানি বাড়া-কমার কারণে দুশ্চিন্তায় আছি। চলতি মৌসুমে আমন আবাদে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা অনেক বীজতলাও পানির কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে নতুন করে বীজতলা তৈরির প্রয়োজন হতে পারে।

হাতীবান্ধার গড্ডিমারী গ্রামের কৃষক আনোয়ারুল হক বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি আরও বাড়ছে। শুনছি ভারত পানি ছেড়ে দিয়েছে। পানি এভাবে বাড়তে থাকলে চরাঞ্চলের ধানের চারা, বাদাম ও মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হবে।

মহিপুর তিস্তার চর এলাকার কৃষক মকবুল হোসেন জানায়, উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসার গতি দেখে মনে হচ্ছে, এবার তিস্তাপাড়ে বড় ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে। খেতে এখন তেমন ফসল নেই। তবে আমন ধানের চারার জন্য কিছু বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। 

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এখন বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে বেলা বাড়ার সঙ্গে পানি আরও বাড়তে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!