× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

শিশুর মুখে লাঠি ঢুকিয়ে রিলস, ক্ষমা চাইলেন সেই শিক্ষক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় এক শিশু শিক্ষার্থীর মুখে বারবার বেত ঢুকিয়ে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেন ফেসবুক লাইভে এসে নিজের ভুল স্বীকার করে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছেন রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে রায়পুরে নেই এবং প্রায় এক মাস ধরে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাটিও বন্ধ রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের দারুল উলুম কোরআন মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, কান্নারত এক শিশু শিক্ষার্থীর মুখে শিক্ষক বারবার বেত ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। শিশুটি হাত দিয়ে বেত সরানোর চেষ্টা করলেও শিক্ষক থামেননি। ভিডিওতে শিক্ষকের হাসির শব্দও শোনা যায়। ১৬ জুলাই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক ভিডিওটি মুছে ফেলেন এবং নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও ডিলিট করেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) ফেসবুক লাইভে এসে ইমরান হোসেন বলেন, ভিডিওটি তিনিই ধারণ ও প্রকাশ করেছিলেন। তার দাবি, শিশুটি পরীক্ষার সময় প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে কান্না শুরু করলে তিনি ‘দুষ্টামি করে’ মুখে লাঠি ধরেছিলেন। তিনি বলেন, শিশুটিকে বেত্রাঘাত বা ধমক দেননি এবং বিষয়টি এত সমালোচনার জন্ম দেবে তা তিনি ভাবেননি। এজন্য তিনি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক টিকটক ও রিলস তৈরিতে আসক্ত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। পরে প্রায় দুই মাস আগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে বরখাস্ত করে।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মঞ্জুর আহমেদ বলেন, শুরু থেকেই ইমরান হোসেনের আচরণে নানা অসঙ্গতি দেখা যায়। শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, অকারণে শাস্তি প্রদান এবং অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রকাশের অভিযোগের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে বরখাস্ত করা হয়।

Link copied!