× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম

কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

ফায়ার সার্ভিসহীন নকলাবাসী, আগুনে পুড়ছে স্বপ্ন-সম্পদ

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

​স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও শেরপুরের নকলা উপজেলায় আজও চালু হয়নি কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। আইনি জটিলতা ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় প্রায় দুই দশক ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে নবনির্মিত ভবনটি। ফলে আগুনে পুড়ছে মানুষের স্বপ্ন-সম্পদ যা দেখার যেন কেউ নেই। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার সম্পদ আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

​সরেজমিনে জানা যায়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ২০০৬ সালে তৎকালীন সরকার নকলায় একটি ফায়ার স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ওই সময় ৩৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণকাজ শুরু হলেও জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা করেন জমির মালিক। মামলা ও আইনি জটিলতার কারণে থমকে যায় ফায়ার স্টেশনের কাজ। কর্তৃপক্ষের ভরসা ২৫ কিলোমিটার দূরের শেরপুর কিংবা নালিতাবাড়ী ফায়ার স্টেশন। এ যেন রোগী আসিবার পূর্বেই ডাক্তারের মৃত্যুবরণ।

​দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে অবকাঠামোটি অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে। বর্তমানে ভবনটি গবাদিপশুর অবাধ চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে।

​তিন লক্ষাধিক জনগোষ্ঠীর এই উপজেলায় কোনো ফায়ার স্টেশন না থাকায় ছোট-বড় অগ্নিকাণ্ডে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, নকলায় আগুন লাগলে তাদের প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের শেরপুর সদর কিংবা নালিতাবাড়ী ফায়ার স্টেশনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। কিন্তু দূরত্বের কারণে দমকল বাহিনীর গাড়ি এসে পৌঁছানোর আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত পড়ে থাকা ভবনটি দ্রুত সংস্কার ও চালু করা হলে নকলা উপজেলার মানুষ দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ সেবা পাবে এবং প্রতিবছর অগ্নিকাণ্ডে কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। তাই দ্রুত পরিত্যক্ত স্টেশনটি চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

​শেরপুর জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. আতিকুর রহমান জানান, মূলত জমি অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণেই স্টেশনটির কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। বর্তমানে জেলা সদর ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ফায়ার স্টেশনের মাধ্যমে নকলা অঞ্চলের অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনা মোকাবিলা করা হচ্ছে।

​এ বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জানান, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। উচ্চ আদালতের রায় আমাদের পক্ষে আসামাত্রই দ্রুত সময়ের মধ্যে ফায়ার স্টেশনটির বাকি কাজ শেষ করে কার্যক্রম শুরু করা হবে।

​স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত আইনি জটিলতা নিরসন ও পরিত্যক্ত ভবনটি সংস্কার করে ফায়ার স্টেশনটি চালু করা গেলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি ও মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে নকলাবাসী।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!