× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১০:০০ এএম

শিশুকে কোলে নিলেন ইউএনও, পরীক্ষা দিলেন মা

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১০:০০ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

১০ মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জরিপকারীর ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন মা সাবিনা ইয়াসমিন (২৮)। বিষয়টি নজরে এলে শিশুটিকে কোলে তুলে নেন উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এরপর তিনি শিশুর মা সাবিনাকে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেন।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে রাজশাহীর দুর্গাপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে শিশু সন্তানকে কোলে নেন ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা।

শিশুর মা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, তাড়াহুড়ো করে বাচ্চাকে নিয়েই পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে চলে আসি। কিন্তু বাচ্চাকে রাখার জন্য কাউকে পাচ্ছিলাম না। বিষয়টি ইউএনও স্যার দেখে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আমাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন। ইউএনও স্যার মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জরিপকারীর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা থেকে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে মোট ৬৫০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে তথ্য সংগ্রহকারী পদে পরীক্ষা দিতে ১০ মাসের সন্তানকে নিয়ে কেন্দ্রে আসেন সাবিনা ইয়াসমিন।

পরীক্ষাকেন্দ্রের ১২৫ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী আশরাফুল হক বলেন, আমাদের পরীক্ষার সময় ইউএনও স্যার বাচ্চাকে কোলে নিয়ে কক্ষ পরিদর্শন করছিলেন। ভেবেছিলাম, বাচ্চাটি তারই। কিন্তু পরীক্ষা শেষে ঘটনা জানতে পারি। ইউএনও বাচ্চাকে কোলে নিয়ে একজনকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। এটি উপস্থিত সবার ভালো লেগেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা ফারজানা বলেন, আমি যখন বিসিএস পরীক্ষা দিই, তখন আমার বাচ্চা ছোট ছিল। পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে বাচ্চাকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছিলাম। পরে অন্যের কোলে তুলে দিয়ে আমি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। বিষয়গুলো আমি অনুভব করি। পরীক্ষার্থীরা যেন কোনো প্রতিবন্ধকতার শিকার না হন, সেটি লক্ষ রাখি। এটা আমার ভালো লাগে।

ইউএনও আরও বলেন, ‘আমিও একজন মা। সন্তানের অনুভূতি আমি বুঝি। একজন মা যদি সন্তানের কারণে পরীক্ষা দিতে না পারেন, সেটি সবার জন্যই কষ্টের। তাই ক্ষুদ্র এই চেষ্টা।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!