× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

সেনা পদোন্নতিতে যোগ্যতাই হবে একমাত্র মানদণ্ড, রাজনৈতিক প্রভাব নয়: প্রধানমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য না দিয়ে শুধুমাত্র যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৬ জুলাই) সেনাসদরে নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, পদোন্নতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া। এ কারণে এতে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিবেচনার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। তিনি নির্বাচনি পর্ষদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান, কর্মকর্তাদের মূল্যায়নের সময় তাদের পেশাগত সক্ষমতা, নেতৃত্বের দক্ষতা, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য এবং সামগ্রিক কর্মদক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রেও বাহিনীটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

এর আগে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান ও চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যেও পদোন্নতি পর্ষদের উদ্বোধনে উপস্থিত হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সব শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। বিশেষভাবে সশস্ত্র বাহিনী ও সেনাবাহিনীর শহীদ সদস্যদের অবদানের কথাও তিনি স্মরণ করেন, যাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে আহত ও শহীদ হওয়া সেনাসদস্যদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি এবং সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং পরিদর্শন বইয়ে নিজের মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!